ইসলামাবাদে হাই-প্রোফাইল বৈঠকের ঠিক আগে ইরানকে লক্ষ্য করে বড়সড় চাল চাললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সরাসরি আর্জি জানালেন আট জন বন্দি মহিলাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। ট্রাম্পের এই আকস্মিক পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখার আগেই তেহরানকে চাপে ফেলে নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে চাইছেন ট্রাম্প।
ঠিক কী ঘটেছে? সূত্রের খবর, ইরানে বন্দি থাকা আট জন মহিলার মানবাধিকার রক্ষা এবং তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসলামাবাদে নির্ধারিত দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক বৈঠকের আগেই এই আর্জি ইরান সরকারকে একপ্রকার অস্বস্তিতে ফেলেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে বসার আগে এই মানবিক বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কেন এই সময়কে বেছে নিলেন ট্রাম্প? ইসলামাবাদে আসন্ন বৈঠকটি দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক এই সন্ধিক্ষণে ইরানের প্রতি ট্রাম্পের এই ‘আর্জি’ আসলে একটি কৌশলগত বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে তিনি যেমন আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে মানবাধিকারের রক্ষাকর্তা হিসেবে তুলে ধরছেন, অন্যদিকে ইরানকে কোণঠাসা করে বন্ধু দেশগুলোর কাছে নিজের গুরুত্ব প্রমাণ করছেন।
ইরানের প্রতিক্রিয়া: ট্রাম্পের এই দাবির পর এখনও তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। তবে ইসলামাবাদের বৈঠকের ঠিক আগে এহেন বক্তব্যে যে কূটনৈতিক অস্বস্তি বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্পের এই চাপের মুখে ইরান কি নতিস্বীকার করে ওই ৮ মহিলাকে মুক্তি দেবে, নাকি পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে?





