ইডির তল্লাশির মাঝেই প্রতীকের ফ্ল্যাটে মুখ্যমন্ত্রী ও সিপি! কেন্দ্রীয় এজেন্সির বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সংঘাত

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নাটকীয় মোড়। বৃহস্পতিবার সকালে নির্বাচনী কৌশল রচনাকারী সংস্থা আই-প্যাক (I-PAC) কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) হানা দিতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনীতি। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের আবাসনে সরাসরি পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মাও।

এদিন সকাল থেকে সল্টলেকের আই-প্যাক অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাসভবনে একযোগে তল্লাশি শুরু করেন দিল্লির ইডি আধিকারিকরা। প্রায় আড়াই বছর আগের এক পুরনো মামলায় হঠাৎ এই সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল শিবির। আই-প্যাকের মতো রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থার শীর্ষ কর্তার বাড়িতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশি চলাকালীন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের সশরীরে উপস্থিতি এক নজিরবিহীন ঘটনা বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

তৃণমূলের দাবি, নির্বাচনের আগে ভয় দেখাতেই ইডি-কে ব্যবহার করছে বিজেপি। অন্যদিকে, ইডি সূত্রে খবর, কয়লাকাণ্ডের আর্থিক লেনদেনের বেশ কিছু যোগসূত্র আই-প্যাকের সঙ্গে মেলায় এই তল্লাশি প্রয়োজন ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে লাউডন স্ট্রিটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও কলকাতা পুলিশের মধ্যে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়। তল্লাশিতে কী উদ্ধার হলো বা মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর রাজনৈতিক রণকৌশলে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা।