আরামের ট্রেন এখন আতঙ্ক! শিয়ালদহ-বনগাঁ এসি লোকাল কেন জেনারেলের চেয়েও খারাপ?

বনগাঁ লোকাল! শুধু এই নামটাই যাত্রীদের মনে আতঙ্ক জাগানোর জন্য যথেষ্ট। রোজকার ভিড় আর ঠাসাঠাসি করে যাতায়াত— এসবের সঙ্গে পরিচিত সব যাত্রীই। সেই পরিচিত ভিড়ের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতেই যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো সুখবর নিয়ে এসেছিল শিয়ালদহ-বনগাঁ এসি লোকাল। কিন্তু সেই আনন্দের মেয়াদ ছিল মাত্র দু’দিন! নতুন ট্রেন চালু হওয়ার পর দু’দিন যেতে না যেতেই যাত্রীরা বলতে শুরু করলেন, “এর থেকে তো সাধারণ লোকালই ভালো!” কিন্তু কেন এই অবস্থা?

হাবড়ার বাসিন্দা সৌভিক মজুমদারের রোজকার যাতায়াত হাবড়া থেকে বিধাননগর। বনগাঁ লোকালের সেই চিরাচরিত ভিড়ের সঙ্গে তিনি ভালোভাবেই পরিচিত। তাই যখন শিয়ালদহ-বনগাঁ এসি লোকাল চালু হলো, ভেবেছিলেন এবার অন্তত যাত্রাপথে একটু স্বস্তি মিলবে। কিন্তু তাঁর সেই আশা সোমবার সকালেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

এসি লোকাল দেখেও তিনি যেন চিনতে পারছিলেন না, এটি সাধারণ ট্রেন নাকি এসি লোকাল! যাত্রীর ভিড়ে ঠাসাঠাসি অবস্থা, তিল ধারণের জায়গা নেই। সিট তো দূর, দমবন্ধ করা ভিড়ে দাঁড়ানোও কষ্টকর। এসি কোচে এমন সাফোকেটেড পরিবেশ তৈরি হবে, এমন আশঙ্কা অনেকেরই ছিল। আর বাস্তবে সেটাই ঘটলো। হাবড়া থেকে ট্রেনে উঠেই সৌভিক ভিড়ের চাপে গেটের কাছেই আটকে গেলেন।

নতুন এসি লোকাল কি তাহলে আরামের বদলে নতুন আতঙ্ক হয়ে উঠলো? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে শিয়ালদহ-বনগাঁ রুটের সাধারণ যাত্রীরা।