আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে’, হাসপাতাল থেকে আদালতে আর্জি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জ গঠনের পর প্রথম শুনানিতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আদালতে হাজির হলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে শয্যাশায়ী অবস্থায় কালো চশমা পরে হাজির হয়ে তিনি বিচারকের কাছে নিজেকে ‘নির্দোষ’ বলে দাবি করেন এবং অবিলম্বে মুক্তি চেয়ে আবেদন জানান।
আদালতে তার আইনজীবী যুক্তি দেন যে, এই মামলার প্রাথমিক এফআইআর বা চার্জশিটে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম ছিল না। সিবিআইয়ের আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এরপর পার্থ নিজে বক্তব্য রাখতে চেয়ে বিচারককে বলেন, “আমি শিক্ষামন্ত্রী ছিলাম, কিন্তু কোনো বেআইনি নিয়োগ করিনি। আমার সামাজিক সম্মান রয়েছে। আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে।”
“অন্যের অন্যায়ের দায় আমার কেন?”
পার্থ চট্টোপাধ্যায় আরও দাবি করেন যে, যাদের নিয়োগের কথা বলা হচ্ছে, তাদের নিয়োগ করেছে এসএসসি। তিনি কেবল নিয়ম মেনে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, “অন্যরা অন্যায় করলে তার দায় আমার কীভাবে হতে পারে? যারা সত্যিই বেআইনি কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, অথচ আমাকে জেলের অন্ধকারে ফেলে রাখা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইডির তল্লাশিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা এবং বিপুল পরিমাণ সোনা ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার হয়। সেই থেকে পার্থের নাম একের পর এক মামলায় জড়িয়েছে।