অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার আগেই বড় ধাক্কা! ভুলের মাশুল দিয়ে বাতিল হতে পারে অনেকের নাম, জানুন বিস্তারিত

মমতা সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলায় সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় বিভিন্ন ভাতা চালু করেছিল। রাজ্যের মহিলা থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সকলের জন্যই নানা ধরনের ভাতা এনেছিল বাংলা সরকার। যার মাধ্যমে মাসে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা মিলত। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই সমস্ত ভাতার নাম বদলে নতুন রূপ নিয়েছে। আগে যেগুলি ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নামে পরিচিত ছিল, তা এখন পরিবর্তিত হয়ে হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’। আর বর্তমানে এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যবাসীকে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের অধীনে দুটি কিস্তির টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে সফলভাবে পৌঁছে গিয়েছে। এবার পালা তৃতীয় কিস্তি প্রকাশের। তবে তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ার ঠিক আগেই সামনে এল এক অত্যন্ত চমকপ্রদ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। জানা যাচ্ছে, ভাতা চালু হয়ে যাওয়ার পরেও অনেকের নাম এই তালিকা থেকে বাতিল হয়ে যেতে পারে। কেন এই বাতিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, আগামী ৩০ অগস্টের মধ্যে যারা প্রকৃতপক্ষেই যোগ্য, তাদের নাম চূড়ান্তভাবে নথিভুক্ত হয়ে যাবে এবং তারা নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পেয়ে যাবেন। বর্তমানে রাজ্যজুড়ে উপভোক্তাদের নথি যাচাই বা ভেরিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলছে। অগস্ট মাসে বহু যোগ্য আবেদনকারী এই ভাতার টাকা হাতে পাবেন। তবে নথি যাচাইয়ের এই প্রক্রিয়ায় যে সকল আবেদনকারী নির্ধারিত যোগ্যতার সমস্ত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবেন, কেবল তারাই এই আর্থিক সহায়তা থেকে বাদ পড়বেন।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে ভেরিফিকেশনের কাজ চলাকালীন বড় তথ্য সামনে এসেছে। যারা ইতিমধ্যে প্রথম বা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পেয়ে গিয়েছেন, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা নামও এই তালিকা থেকে বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত যারা আবেদন করার সময় ভুল বা ভুয়া তথ্য প্রদান করেছিলেন, তাদের ভাতা বাতিল হওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আপনার অ্যাকাউন্টটি ডিবিটি (DBT) বা আধার লিঙ্কযুক্ত থাকা সত্ত্বেও যদি আপনি অযোগ্য প্রমাণিত হন, তবে শেষ মুহূর্তে আপনার অ্যাকাউন্টটি এই প্রকল্প থেকে বাদ যেতে পারে।