অভিবাসন ও বিদেশি নাগরিক সংশোধনী আইন কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি জারি করা এক গেজেট নোটিফিকেশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই আইন লাগুর কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলে আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
কী বলছে নতুন আইন?
এই নতুন আইন অনুযায়ী, রাজ্যগুলিকে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
- ধর্মীয় উৎপীড়িতদের জন্য ছাড়: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে যেসব হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টানরা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের জন্য বড় স্বস্তি এসেছে। যদি তারা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে এসে থাকেন, তাহলে বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণের প্রয়োজনীয় নথি না থাকলেও তারা ভারতে বসবাস করতে পারবেন। এমনকি, যদি তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ ফুরিয়েও যায়, তাতেও কোনো সমস্যা হবে না।
- শ্রীলঙ্কার তামিলদের ব্যতিক্রম: এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে শ্রীলঙ্কার তামিল ভাষাভাষী নাগরিকদের। ২০১৫ সালের ৯ জানুয়ারি বা তার আগে ভারতে আশ্রয় নিলেও তারা এই সুবিধা পাবেন না।
নেপাল ও ভুটানের জন্য নিয়ম
নেপাল ও ভুটানের নাগরিকদের জন্য পাসপোর্ট বা ভিসা ছাড়াই ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা ভারতীয়দের জন্যও প্রযোজ্য। একই নিয়ম নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী এবং বায়ুসেনার সদস্যদের জন্যেও কার্যকর করা হয়েছে। এমনকী, তাদের পরিবারের সদস্যরা সরকারি যানবাহনে চলাচলের ক্ষেত্রেও পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজন হবে না। এই আইনের ফলে তিব্বতিদের ক্ষেত্রেও নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।