রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর ফর্ম প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কী কী নথিপত্র লাগবে, তা নিয়ে যেমন সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে, তেমনই প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যমান ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে। এই প্রেক্ষাপটেই নিজের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ও প্রয়োজনীয় নথি: সরকারি সূত্রের খবর, নতুন এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের মূলত আধার কার্ড, ডিজিটাল রেশন কার্ড, সক্রিয় মোবাইল নম্বর এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ জমা দিতে হবে। মহিলা ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে এই ফর্মগুলো দ্রুতই দুয়ারে সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিলি করা হবে বলে জানা গেছে।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কি বন্ধ হয়ে যাবে? সবচেয়ে চর্চিত বিষয় হলো, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার আসার পর লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের গুরুত্ব কি কমবে? বা সেটি কি বন্ধ হয়ে যাবে? এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি জনসভায় ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আপাতত চালু থাকলেও, নতুন প্রকল্পের কাঠামো তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরনো প্রকল্পে কোনো পরিবর্তন আসে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিনি সরকারি পরিকল্পনার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
নাগরিকদের জন্য জরুরি পরামর্শ: প্রকল্পের নাম বা সুবিধা যা-ই হোক না কেন, যেকোনো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে নিজের সমস্ত নথিপত্র আপডেট রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: আধার কার্ডের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক আছে কি না তা নিশ্চিত করুন।
রেশন কার্ড: ই-কেওয়াইসি (e-KYC) সম্পন্ন করুন।
সতর্কতা: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নাম করে কেউ যদি ব্যক্তিগত তথ্য বা অর্থ দাবি করে, তবে সতর্ক থাকুন। শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট বা সরকারি অফিস থেকেই সঠিক তথ্য সংগ্রহ করুন।
নতুন এই প্রকল্পের সুবিধা ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এখন তাকিয়ে রয়েছে সরকারি সেই পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির দিকে।





