রাজনীতির ময়দানে তিনি যেমন লড়াকু, ব্যক্তিগত জীবনে তেমনই তিনি একজন যত্নশীল স্বামী ও পিতা। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাম্পত্য আজ ১৯ বছর পূর্ণ করল। আর এই দীর্ঘ সফরের অভিজ্ঞতাই আজ ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তিনি। সুখী দাম্পত্যের জন্য কেবল ভালোবাসা নয়, আরও কিছু বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।
১৯ বছরের পথচলা: ২০০৭ সালে এক ছাদের নিচে পথচলা শুরু করেছিলেন অভিষেক ও রুজিরা। দীর্ঘ এই সময়ে চড়াই-উতরাই কম আসেনি। বিশেষ করে সিবিআই-ইডি বা রাজনৈতিক আক্রমণের সময় শক্ত হাতে হাল ধরে ছিলেন রুজিরা। আজ ১৯তম বিবাহবার্ষিকীতে সেই অটুট বন্ধনের নেপথ্যের ‘গোপন মন্ত্র’ সামনে আনলেন অভিষেক।
অভিষেকের ‘হ্যাপি ম্যারেড লাইফ’-এর গোপন মন্ত্র:
১. পারস্পরিক শ্রদ্ধা (Respect): অভিষেকের মতে, ভালোবাসার চেয়েও দাম্পত্যে বড় হলো শ্রদ্ধা। একে অপরের মতামত এবং ব্যক্তিগত সত্তাকে গুরুত্ব না দিলে দীর্ঘস্থায়ী হওয়া কঠিন। রাজনীতির চাপের মাঝেও একে অপরের সম্মানে যেন কোনো আঁচ না আসে, সেটাই বড় চ্যালেঞ্জ।
২. বন্ধুত্ব ও বিশ্বাস (Friendship & Trust): রুজিরা তাঁর কাছে কেবল স্ত্রী নন, বরং সেরা বন্ধু। অভিষেক জানিয়েছেন, দিনের শেষে সমস্ত ক্লান্তি মেটে যদি সঙ্গীর ওপর ভরসা রাখা যায়। বিশ্বাসের ভিত শক্ত হলে বাইরের কোনো ঝড়ই সংসার ভাঙতে পারে না।
৩. চুপ থাকার শিল্প (Silence is Golden): একটু হাসতে হাসতেই অভিষেক জানান, সুখী হতে হলে মাঝে মাঝে চুপ থাকা এবং ‘সরি’ বলা শিখতে হয়। সবসময় জেতার চেষ্টা না করে সঙ্গীর আনন্দকে প্রাধান্য দেওয়াটাই আসল সার্থকতা।
পরিবারই আসল শক্তি: অভিষেক বারবারই বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে স্ত্রী রুজিরার অবদান অনস্বীকার্য। সন্তানদের বড় করে তোলা থেকে শুরু করে সংকটের সময়ে পাশে থাকা— রুজিরা তাঁর জীবনের ‘পিলার’।
এক নজরে: ১৯ বছরের এই সফর প্রমাণ করল যে, হাজারো ব্যস্ততা আর ঝড়ের মাঝেও যদি মন থেকে চাওয়া যায়, তবে যে কোনো সম্পর্ককেই নতুন রাখা সম্ভব।





