ভোটের প্রচার শেষ হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে তুঙ্গে উঠল নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পারদ। শুভেন্দু অধিকারীকে টেক্কা দিতে এবার কি তবে ‘টাকার রাজনীতি’র সাহায্য নিচ্ছে তৃণমূল? সোমবার রাতে নন্দীগ্রামের মোহাম্মদপুর এলাকায় ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগে তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের জামাই হাবিবুর রহমানকে হাতেনাতে পাকড়াও করার দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে চরম শোরগোল।
বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রচারের আড়ালে সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করতে রাতের অন্ধকারে টাকা বিলি করছিলেন হাবিবুর রহমান। স্থানীয় বিজেপি সমর্থকরা তাকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় গ্রেফতার করা হয় হাবিবুরকে। আজ অভিযুক্তকে হলদিয়া মহকুমা আদালতে তোলা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
অন্যদিকে, শুধুমাত্র টাকার খেলা নয়, পেশিশক্তির আস্ফালনেও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভেকুটিয়া এলাকা। মঙ্গলবার সকালে প্রচার চলাকালীন ৩৭ নম্বর বুথ এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিজেপির অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে তৃণমূল কর্মীরা অতর্কিতে হামলা চালায়। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, বিজেপি কর্মীরাই অশান্তি পাকিয়েছে এবং তৃণমূল সমর্থকদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে। সব মিলিয়ে, চূড়ান্ত মুহূর্তের প্রচারে নন্দীগ্রাম যেন ফের সেই পুরনো রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে।





