২০২৫ সালের নভেম্বরে হরিয়ানার সিরসায় মহিলা পুলিশ স্টেশনে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বড়সড় পদক্ষেপ নিল জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। এনআইএ মোট নয়জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে, যার মধ্যে দুজন পাকিস্তানের নাগরিক। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানের গ্যাংস্টার থেকে সন্ত্রাসীতে পরিণত হওয়া শাহজাদ ভাট্টি এবং সোহেল আহমেদ এই নেটওয়ার্কের মূল পরিকল্পনাকারী।
চার্জশিট অনুযায়ী, শাহজাদ ভাট্টি সোশ্যাল মিডিয়া ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় তরুণদের মগজ ধোলাই করে তাদের জঙ্গি কার্যকলাপে নিয়োগ করত। ধীরাজ নামক এক ব্যক্তিকে ভারতে এই পুরো অভিযানের প্রধান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে জানা যায়, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন স্থান রেকি করার পর সিরসার মহিলা পুলিশ স্টেশনকে নিশানা করে। অমৃতসর থেকে সংগৃহীত গ্রেনেডটি গুরজন্ত সিং সরবরাহ করেছিল।
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক হলো, অভিযুক্তরা হামলার ভিডিও রেকর্ড করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করা যায়। এনআইএ এখন এই হামলার নেপথ্যে থাকা আন্তর্জাতিক আর্থিক উৎস ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ, আইপিসি এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের কঠোর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।





