সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে খোদ এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। প্রাথমিকে এবং সেচ দফতরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সিঁথি থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (ASI) এই প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী এই অভিযোগকে ‘পারিবারিক বিবাদের কারণে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা’ বলে দাবি করেছেন।
ভাইপোর কাছে ১২ লাখ ও সেচ দফতরে চাকরির নামে প্রতারণা
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ASI (যিনি কনস্টেবল থাকাকালীন এই কাজ করেছেন বলে জানা গেছে) তার নিজের ভাইপোর কাছ থেকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে ১২ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, এক পরিচিতকে সেচ দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করেও ওই ASI প্রতারণা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, চাকরিপ্রার্থীকে সরকারি দফতরে নিয়ে গিয়ে ২২ হাজার টাকা ‘স্টাইপেন্ড’ পাইয়ে দেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এই স্টাইপেন্ড আসলে প্রতারণার একটি অংশ ছিল কিনা, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের
এই গুরুতর আর্থিক প্রতারণার অভিযোগটি বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। একজন পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় পুলিশ মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্তের পাল্টা দাবি: ‘মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা’
এদিকে, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, এটি একটি পারিবারিক বিবাদ এবং তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে, পুলিশ তার দাবি খতিয়ে দেখছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন আইনরক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় এই ঘটনার ওপর প্রশাসনের নজর রয়েছে। তদন্তের পর সত্য প্রকাশিত হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





