বাঙালির হৃদয়ে চিরস্মরণীয় মহানায়ক উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবসে তাঁকে স্মরণ করে এবং বাংলা cinema ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো। এই দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘মহানায়ক’ সম্মান প্রদান করেন, যা বিনোদন জগতের কৃতি ব্যক্তিত্বদের প্রতি একটি বিশেষ স্বীকৃতি।
প্রতি বছরই এই দিনে উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা জানাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এ বছরও সেই ধারা বজায় রেখে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে বিশেষ অবদান রাখা শিল্পীদের ‘মহানায়ক’ সম্মানে ভূষিত করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে এই সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানটি এক বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।
উত্তম কুমার (আসল নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়) বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি। তাঁর অভিনয় জীবন বাঙালির সংস্কৃতি ও আবেগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি অসংখ্য ব্লকবাস্টার এবং কালজয়ী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যা তাঁকে ‘মহানায়ক’ উপাধিতে ভূষিত করেছে। তাঁর প্রয়াণ দিবস, অর্থাৎ ২৪শে জুলাই, বাঙালি জাতির কাছে এক শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হয়। এই দিনে তাঁর সৃষ্টিকর্ম এবং বাংলা সিনেমার প্রতি তাঁর অবদানকে নতুন করে স্মরণ করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বলেন, “উত্তম কুমার শুধু একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাঙালির আবেগ, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। তাঁর অবদান অনস্বীকার্য এবং তাঁর স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের সকলের কর্তব্য।” তিনি আরও বলেন, “তাঁর প্রয়াণ দিবসে ‘মহানায়ক’ সম্মান প্রদানের মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাতে তাঁরাও বাংলা cinema কে আরও সমৃদ্ধ করতে পারেন।”
এই সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানটি বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলী, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং অসংখ্য উত্তম ভক্তদের উপস্থিতিতে আরও মহিমান্বিত হয়ে ওঠে। এই উদ্যোগ একদিকে যেমন উত্তম কুমারকে স্মরণ করার একটি মাধ্যম, তেমনই এটি বাংলা cinema এবং তার সঙ্গে যুক্ত প্রতিভাবান শিল্পীদের উৎসাহিত করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।





