শহরের রাস্তায় বেআইনি পার্কিংয়ের দৌরাত্ম্য রুখতে এবার অত্যন্ত কড়া অবস্থানে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তাঁর সরাসরি নির্দেশের পরই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নেমেছে পুলিশ। সরকারি নির্দেশ পেয়েই তৎপরতা বাড়িয়েছে ট্রাফিক বিভাগ, যার ফলে বেআইনিভাবে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা চালকদের মধ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে।
ঠিক কী পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ? মন্ত্রী অগ্নিমিত্রার থেকে স্পষ্ট বার্তা পাওয়ার পর থেকেই শহরের যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোতে পুলিশের কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। রাস্তার ওপর যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিং করে রাখলে কিংবা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে পুলিশ সরাসরি ব্যবস্থা নিচ্ছে। অভিযানের প্রথম দিনেই রাস্তার অবৈধভাবে পার্ক করে রাখা বেশ কিছু গাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং চালকদের বিরুদ্ধে জরিমানার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সরকারি অনুমতি ছাড়াই বেআইনি পার্কিং জোন চালানোর দায়ে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
কেন এই কঠোর পদক্ষেপ? শহরজুড়ে লাগাতার যানজট সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে যথেচ্ছভাবে গাড়ি পার্ক করে রাখার ফলে স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মন্ত্রীর মতে, শহরের সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ফুটপাত ও রাস্তা দখলমুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।
প্রশাসনিক আশ্বাস: পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান কেবল প্রতীকী নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হতে চলেছে। যেসব জায়গায় অবৈধ পার্কিং চক্র সক্রিয় রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের সচেতন নাগরিকরা। তবে পার্কিংয়ের সঠিক বিকল্প ব্যবস্থা না করে কেবল ধরপাকড় করা হলে সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন একাংশ।
মন্ত্রী অগ্নিমিত্রার এই প্রশাসনিক সক্রিয়তা এখন শহরের যানজট পরিস্থিতির কতটা উন্নতি ঘটাতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।





