ভুল রেজাল্ট নাকি কারচুপি? সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণির খাতা ঘিরে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের উদ্বেগ তুঙ্গে

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)-এর দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। পুনর্মূল্যায়নের জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে আসা স্ক্যান করা উত্তরপত্রগুলোতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর গরমিলের অভিযোগ সামনে এসেছে। বেদান্ত, সঞ্জনা-সহ বহু পরীক্ষার্থী দাবি করেছেন, তাদের উত্তরপত্রের ফটোকপিতে নম্বর দেওয়া ও মূল ফলাফলের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, কোথাও উত্তরপত্র অসম্পূর্ণ, আবার কোথাও সঠিক উত্তর দেওয়ার পরেও শূন্য নম্বর দেওয়া হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার এক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, স্ক্যানিং ত্রুটির কারণে মাঝের পাতা বাদ পড়েছে, যার ফলে ১০ নম্বর কাটা গেছে। অর্থনীতি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও ১৮ ও ১৯ নম্বর পৃষ্ঠা গায়েব থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এমনকি, গণিতের মতো বিষয়ে ধাপে ধাপে নম্বর দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে দাবি।

এক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাঁর মেয়ের উত্তরপত্র থেকে একটি আস্ত পৃষ্ঠা উধাও এবং সঠিক উত্তরের জন্য নম্বর দেওয়া হয়নি। ৩০-৩৫ নম্বরের এই অসঙ্গতি পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তি ও র‍্যাঙ্কিংয়ের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। সিবিএসই-র এই অস্বচ্ছ মূল্যায়ন ও কারিগরি ত্রুটির বিরুদ্ধে দ্রুত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত ও মূল উত্তরপত্র যাচাইয়ের দাবি উঠেছে। বোর্ডের নীরবতা নিয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy