আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার ঠিক আগেই মঙ্গলবার গত বছরের বাজেটের ‘রিপোর্ট কার্ড’ বা অগ্রগতির খতিয়ান প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। এই রিপোর্টে কর সংস্কার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের হাতে বাড়তি টাকা রাখার বিষয়ে সরকারের সাফল্যের দিকগুলি তুলে ধরা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রক জানিয়েছে, নতুন কর ব্যবস্থার (NTR) মাধ্যমে ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ে কোনো কর দিতে হবে না সাধারণ নাগরিকদের। বেতনভোগী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই সীমা ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কার্যকর, কারণ তাঁরা বাড়তি ৭৫,০০০ টাকার স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের সুবিধা পাচ্ছেন। সরকারের লক্ষ্য হলো করদাতাদের ওপর চাপ কমিয়ে তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো।
কর্পোরেট জগতের জন্যও রয়েছে সুখবর। যেসব কোম্পানি কোনো বিশেষ ছাড় নেয় না, তাদের জন্য করের হার কমিয়ে ২২ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির জন্য এই হার মাত্র ১৫ শতাংশ। এছাড়াও, প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থাকে সহজ করতে ১৯৫১ সালের পুরনো আইন সংশোধন করে ‘আয়কর বিল ২০২৫’ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সার্বভৌম সম্পদ তহবিল (SWF) এবং পেনশন তহবিলের পরিকাঠামো বিনিয়োগে কর ছাড়ের মেয়াদও বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাজেটের আগে অর্থ মন্ত্রকের এই ইতিবাচক রিপোর্ট কার্ড ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আগামী বাজেটেও করদাতাদের জন্য আরও বড় কোনো চমক থাকতে পারে।