সেই কাঁধ পর্যন্ত লম্বা চুল, চোখের কোণে একরোখা জেদ আর সেই রহস্যময় হাসি— ঠিক ৩৩ বছর আগে যে ‘বল্লু’র দাপটে কেঁপেছিল গোটা বলিউড, সেই চেনা মেজাজেই ফিরছেন পর্দার আসল খলনায়ক। পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের কালজয়ী সিনেমা ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়েল ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে বি-টাউনে।
নস্টালজিয়া উসকে দেওয়া নয়া অবতার
নব্বইয়ের দশকের সুপারহিট গান ‘নায়ক নেহি খলনায়ক হুঁ ম্য়ায়’ আজও বাঙালির কানে বাজে। সেই নস্টালজিয়াকেই আরও একবার উসকে দিতে সঞ্জয় দত্ত নিজেই তাঁর নতুন লুক প্রকাশ্যে এনেছেন। লম্বা দাড়ি আর তীক্ষ্ণ চাহনিতে সঞ্জু বাবাকে দেখা যাচ্ছে এক অত্যন্ত গম্ভীর ও ‘ইনটেন্স’ অবতারে। কেজিএফ-এর ‘অধীরা’ হওয়ার পর তাঁর নেতিবাচক চরিত্রের তেজ যে আরও কয়েক গুণ বেড়েছে, তা এই লুক দেখলেই স্পষ্ট হয়।
পুরানো কাস্ট কি ফিরবে?
১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘খলনায়ক’ ছবিতে সঞ্জয় দত্ত ছাড়াও বড় স্ক্রিন মাতিয়েছিলেন মাধুরী দীক্ষিত এবং জ্যাকি শ্রফ। সিক্যুয়েলের ঘোষণা হতেই ভক্তদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন— ফের কি দেখা যাবে সেই পুরোনো ত্রয়ীকে? যদিও পরিচালক সুভাষ ঘাই বা সঞ্জয় দত্ত, কারোর পক্ষ থেকেই এই বিষয়ে এখনও খোলসা করে কিছু জানানো হয়নি। তবে সিনেমার অন্দরের খবর, বড় কোনো চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য।
বক্স অফিসে ঝড়ের পূর্বাভাস
সঞ্জয় দত্তর ফিল্মি কেরিয়ারে অসংখ্য কালজয়ী চরিত্র থাকলেও, ‘বল্লু’র জায়গা সবসময়ই অনন্য। বর্তমানের প্যান ইন্ডিয়া মুভির যুগে বল্লুর এই নয়া ইনিংস যে বিনোদনের সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করবে, তার পূর্বাভাস মিলছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই। ভক্তদের দাবি, ৩৩ বছরের প্রতীক্ষার পর বল্লু রাম বলরামের বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন হতে চলেছে রাজকীয়।





