দিল্লি সরকার বার্ধক্য ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি উদ্যোগ অনুযায়ী, এবার রাজ্যের ৫ লক্ষেরও বেশি উপভোক্তার বাড়িতে গিয়ে সরাসরি বায়োমেট্রিক যাচাই করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট নিশ্চিত করতে কমন সার্ভিস সেন্টারের (CSC) সঙ্গে একটি মৌ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
দিল্লি জুড়ে থাকা ৬,০০০-এর বেশি সিএসসি কেন্দ্রের কর্মীরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে উপভোক্তাদের আঙুলের ছাপ (Fingerprint) ও চোখের মণি (Iris scan) স্ক্যান করবেন। সেই সাথে তাঁদের বর্তমান ছবি তুলে নথিপত্র আপডেট করা হবে। আগামী এক মাসের মধ্যেই এই বিশেষ অভিযান শুরু হবে এবং পাঁচ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো সরকারি ভাতার অপব্যবহার রোধ করা। বর্তমান তথ্যে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তি বা যারা দিল্লির বাইরে স্থানান্তরিত হয়েছেন, তাদের নামেও নিয়মিত পেনশনের টাকা জমা পড়ছে। এই অযোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এর ফলে সরকারি কোষাগারে যে সাশ্রয় হবে, তা অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা সম্ভব হবে।
দিল্লিতে বর্তমানে ৪.৩৫ লক্ষেরও বেশি প্রবীণ নাগরিক এই পেনশনের সুবিধা পান। বয়সের ভিত্তিতে তাঁরা প্রতি মাসে ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা পেয়ে থাকেন। এখন এই স্বচ্ছতা অভিযানের ফলে প্রকৃত গরিব ও যোগ্য নাগরিকরাই সরকারের সঠিক সহায়তা পাবেন বলে আশা করছে প্রশাসন। পুরো প্রক্রিয়া তদারকির জন্য একটি বিশেষ হেল্প ডেস্কও চালু করা হয়েছে।





