দার্জিলিং-কালিম্পং ভুলে এবার গাহুনবাড়ি! ডুয়ার্সের কোলে চা-বাগানে ঘেরা এই রহস্যময় গ্রামে কীভাবে যাবেন?

গরমের ছুটিতে পাহাড় মানেই এখন দার্জিলিং বা কালিম্পং-এ পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। শান্তির খোঁজ পাওয়া এখন দায়। তাই আপনি যদি নিরিবিলি প্রকৃতির কোলে দু’টো দিন কাটাতে চান, তবে ডুয়ার্সের প্রান্তে অবস্থিত গাহুনবাড়ি হতে পারে আপনার সেরা ঠিকানা। পর্যটকদের মানচিত্রে এখনও সেভাবে জায়গা না পাওয়া এই গ্রামটি এককথায় শান্ত ও মোহময়ী।

কী দেখবেন গাহুনবাড়িতে?
একদিকে মাইলের পর মাইল চা বাগান, আর অন্যদিকে গরুমারা জঙ্গলের দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো এর নির্জনতা। সকালে ঘুম ভাঙবে নাম না জানা পাখির ডাকে আর সন্ধে নামলে শোনা যায় ঝিঁঝির কোরাস। রিসর্টের বারান্দা থেকে চা বাগানের ওপর মেঘেদের লুকোচুরি আপনার ভ্রমণের ক্লান্তি ধুয়ে দেবে মুহূর্তেই।

দু’দিনের ছোট প্ল্যান:

প্রথম দিন: এনজেপি বা শিলিগুড়ি থেকে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে চা বাগানের নির্জনতায় হাঁটাহাঁটি করুন। পাহাড়ের ঢালে সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত দেখার এক অনন্য অভিজ্ঞতা হবে এখানে। রাতে বারান্দায় বসে বনফায়ারের সঙ্গে লোকাল মোমো ট্রাই করুন।

দ্বিতীয় দিন: সকালে উঠে গরুমারা জঙ্গল সাফারি সেরে নিন। কপাল ভালো থাকলে একশৃঙ্গ গন্ডার বা হাতির দেখা পাওয়া খুব সহজ। দুপুরে ফিরে এসে তৃপ্তি সহকারে খান নেওয়ারি থালি বা থুকপা।

কীভাবে যাবেন?
নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশন থেকে গাহুনবাড়ির দূরত্ব মাত্র ৬৫ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন?
এখানে কয়েকটি সুন্দর ইকো রিসর্ট এবং কাঠের কটেজ দেওয়া হোমস্টে রয়েছে। চা বাগানের ভিউ পেতে গেলে আগে থেকে বুকিং করে রাখা ভালো। ফোনের নেটওয়ার্ক মাঝে মাঝে সমস্যায় ফেললেও, যান্ত্রিকতা থেকে দূরে থাকার এটাই সেরা সুযোগ।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy