দক্ষিণ কলকাতা আইন কলেজে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী গণধর্ষণ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে আজ (বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫) রিপোর্ট জমা দিয়েছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাসের ডিভিশন বেঞ্চে ডিসি এসএসডি (সাউথ সাবার্বান) ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের নেতৃত্বাধীন SIT এই তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে।
বন্ধ খামে রিপোর্ট জমা, নির্যাতিতার আইনজীবীকে কপি হস্তান্তরের নির্দেশ
এদিন বন্ধ খামে এই গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্টটি জমা দেওয়া হয়। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, এই রিপোর্টের একটি কপি নির্যাতিতার আইনজীবীকে দিতে হবে। তবে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, সেই কপি কোনোভাবেই সংবাদমাধ্যম বা অন্য কোনো এজেন্সিকে দেওয়া যাবে না। এই কঠোর গোপনীয়তার নির্দেশ মামলার সংবেদনশীলতা এবং তদন্তের সুষ্ঠু প্রক্রিয়া বজায় রাখার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
৪ সপ্তাহ পর পরবর্তী অগ্রগতির রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে যে, পরবর্তী তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট চার সপ্তাহ পরে রাজ্যকে জমা দিতে হবে। SIT-এর সঙ্গে কসবা থানার তদন্তকারী অফিসারও এদিন কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।
এই মামলায় কলকাতা পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং একটি SIT গঠন করে তদন্ত শুরু করেছিল। হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দেওয়ার মাধ্যমে তদন্তের একটি পর্যায় সম্পন্ন হলো। মামলার পরবর্তী শুনানি এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, কারণ এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা ও নারী সুরক্ষা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছিল।





