উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ফের রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। ব্যারাকপুর পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে প্রৌঢ়কে লাথি মারার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যার ফলে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ব্যারাকপুর বি এন বোস হাসপাতাল চত্বর। প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে বিশাল বিজেপি বাহিনী মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখায়, যা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।
বিজেপির অভিযোগ, তুচ্ছ বিবাদের জেরে তৃণমূলের ওই কাউন্সিলর বৃদ্ধকে প্রকাশ্যে মারধর ও লাথি মারেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপি কর্মীরা বি এন বোস হাসপাতালে জড়ো হয়ে দোষী কাউন্সিলরের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হাসপাতালের গেটে ব্যারিকেড দিলে অর্জুন সিংয়ের অনুগামীরা তা ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তিতে এলাকা কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, ওই বৃদ্ধ অসুস্থ ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিজেপি নোংরা রাজনীতি করছে। অন্যদিকে, অর্জুন সিং সাফ জানিয়েছেন, “যতক্ষণ না অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে পুলিশ হেফাজতে নিচ্ছে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে।” হাসপাতাল চত্বরে বর্তমানে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।