উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে তিন নিস্পাপ কন্যার রহস্যজনক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। তবে এই ঘটনা কেবল একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এক অন্ধকার ও অপরাধমূলক ইতিহাস। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে যে অভিযুক্ত পিতার জীবনে এর আগে তিন জন স্ত্রী এবং একজন লিভ-ইন পার্টনারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই জনমনে প্রশ্ন উঠছে—তবে কি নিজের সন্তানদেরও কি সুপরিকল্পিতভাবে সরিয়ে দিল এই ব্যক্তি?
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তের আগের তিন স্ত্রী এবং তার লিভ-ইন পার্টনারও বিভিন্ন সময়ে রহস্যজনক পরিস্থিতিতে প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিবারই ঘটনাগুলো ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল, কিন্তু এবার তিন মেয়ের মৃত্যুর পর পুলিশের সন্দেহ গিয়ে ঠেকেছে বাবার ওপর। প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ব্যক্তি প্রায়ই বাড়িতে অশান্তি করত এবং তার আচরণ ছিল অত্যন্ত সন্দেহজনক। ৩ কন্যার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে বিষপ্রয়োগ বা শ্বাসরোধ করে খুনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।
গাজিয়াবাদ পুলিশ বর্তমানে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, “অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে এবং তার অতীত রেকর্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চার মহিলার মৃত্যুর যোগসূত্র এবং বর্তমান ঘটনার যোগসূত্র মেলালেই আসল সত্য সামনে আসবে।” এটি কি কেবল কাকতালীয় ঘটনা নাকি কোনো সিরিয়াল কিলারের মানসিকতা? উত্তর খুঁজছে প্রশাসন।