চাষবাস মানেই কি দারিদ্র্য? উত্তরপ্রদেশের দেওঘর জেলার রোহিনী গ্রামের অম্বিকা প্রসাদ কুশওয়াহা এই ধারণা ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন। আজ তিনি কোনো বড় ব্যবসায়ীর চেয়ে কম নন। ৬ একর জমিতে মিশ্র চাষের এমন এক সাম্রাজ্য তিনি গড়ে তুলেছেন যেখানে মুগ ডাল, আখ, লেবু আর হরেক সবজিতে সারা বছর সোনা ফলে।
অম্বিকা জানান, এক ফসলি চাষের ঝুঁকি এড়িয়ে তিনি ব্যবসায়ী বুদ্ধিতে আধুনিক কৃষি শুরু করেন। আজ অবস্থা এমন যে, সংসারের সব চাহিদা তাঁর খামার আর পশুপালন থেকেই মিটে যায়—বাজার থেকে তাঁকে কিনতে হয় কেবল নুন! কৃষিকাজের টাকায় তিনি গ্রামে তৈরি করেছেন এক চোখধাঁধাঁনো বিলাসবহুল অট্টালিকা। সন্তানদের সুশিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি নিজে ঘুরে দেখেছেন দেশের সব জ্যোতির্লিঙ্গ। এমনকি চাষের আধুনিক কৌশল শিখতে তিনি ইজরায়েল পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছেন। ড্রিপ ইরিগেশনের মতো বিদেশি প্রযুক্তি এখন তাঁর হাতের মুঠোয়, যা তাঁকে কম খরচে দিচ্ছে দ্বিগুণ মুনাফা। যারা কৃষিকাজকে অবহেলার চোখে দেখেন, অম্বিকার এই ‘সফলতার মডেল’ তাঁদের জন্য এক মোক্ষম জবাব।





