৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে কাশ্মীরের ডোডায় দেখা গেল এক অন্যরকম দৃশ্য। সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এবার পাহাড়ের খুদে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ গড়তে এগিয়ে এল ভারতীয় সেনা। সোমবার ‘অপারেশন সদ্ভাবনা’-এর অধীনে ডোডা জেলার বিভিন্ন সরকারি স্কুলে ২০টি কম্পিউটার বিতরণ করল ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। কমান্ডিং অফিসার কর্নেল রাহুল কাটারিয়ার নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচি স্থানীয় স্তরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়ন: ডোডার স্পোর্টস স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কমিশনার হরবিন্দর সিং সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা। মোট ১০টি স্কুলে দুটি করে কম্পিউটার প্রদান করা হয়েছে। স্কুলের পক্ষ থেকে প্রমোদ ঠাকুর জানান, “আজকের যুগে প্রযুক্তি ছাড়া শিক্ষা অসম্পূর্ণ। সেনার এই উদ্যোগে ই-মেল থেকে শুরু করে পড়াশোনার আধুনিক মাধ্যমগুলি ব্যবহার করা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের জন্য অনেক সহজ হবে।” সেনার এই মানবিক মুখ উপত্যকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
অপারেশন সদ্ভাবনা ও সীমান্ত উৎসব: কেবল ডোডা নয়, নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন পুঞ্চের কারমারহা হাসপাতালেও প্রজাতন্ত্র দিবসের মহোৎসব পালিত হয়েছে। সারলা ব্যাটালিয়নের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে খুদে পড়ুয়াদের উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, দিল্লিতে কর্তব্য পথে যখন ভারতের সামরিক শক্তি প্রদর্শিত হচ্ছিল, ঠিক তখনই কাশ্মীরের দুর্গম এলাকায় শিক্ষার দীপ জ্বালাচ্ছিল ভারতীয় সেনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বন্দুকের লড়াইয়ের পাশাপাশি উন্নয়নের এই লড়াই উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে বড় ভূমিকা নেবে।