আগামী বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে এবারের পরীক্ষা অন্যবারের তুলনায় অনেকটাই আলাদা এবং চ্যালেঞ্জিং। একদিকে রাজ্যে চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) কাজ, অন্যদিকে একইসঙ্গে তিন ধরনের পদ্ধতি বা সেমেস্টারের পরীক্ষা নিতে হচ্ছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদকে। ফলে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে।
সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লাখ ১০ হাজার। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ৭৯,৩৪৭ জন বেশি। এবার তিনটি স্তরে পরীক্ষা হবে— সেমেস্টার-৪, সেমেস্টার-৩ (সাপ্লি) এবং পুরনো সিলেবাসের বার্ষিক পরীক্ষা। এই তিন স্তরের জট কাটাতে সংসদ অভিনব ‘কালার কোড’ ব্যবহার করছে। সেমেস্টার-৪ এর প্রশ্নপত্রের রং হবে সাদা, সেমেস্টার-৩ এর জন্য হলুদ এবং পুরনো পদ্ধতির জন্য নীল রঙের প্রশ্নপত্র বরাদ্দ করা হয়েছে।
এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় বহু শিক্ষক ব্যস্ত থাকায় এবার পরীক্ষা কেন্দ্রে গার্ড বা পরিদর্শকের সংকট দেখা দিয়েছে। গতবারের তুলনায় প্রায় ৭ হাজার বেশি গার্ড প্রয়োজন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মঙ্গলবার জেলা স্কুল পরিদর্শক (DI) ও যুগ্ম আহ্বায়কদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করবে সংসদ। নকল রুখতে ১০৪টি কেন্দ্রকে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে দুটি করে মেটাল ডিটেক্টরের ব্যবস্থা থাকছে। মোবাইল বা কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ধরা পড়লে সরাসরি পরীক্ষা বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংসদ।