ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গুজরাটের দায়িত্ব নেওয়া থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ শাসনকাল—সব মিলিয়ে জনসেবার এক টানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন তিনি। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে অটুট জনসমর্থন ধরে রাখা নিঃসন্দেহে এক বিরল নজির।
জনসমর্থনের নেপথ্যে: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদীর এই দীর্ঘ পথচলার মূল চাবিকাঠি হলো তাঁর ‘ডিসাইসিভ লিডারশিপ’ বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। গুজরাটের উন্নয়ন মডেল থেকে শুরু করে কেন্দ্রের ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’—প্রতিটি ধাপেই তিনি সাধারণ মানুষের আবেগের সঙ্গে মিশে যেতে পেরেছেন।
পরিবর্তনের হাওয়া: ২৫ বছরে ভারত যে আধুনিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে মোদীর নিরলস পরিশ্রম।
ডিজিটাল ও পরিকাঠামো: ডিজিটাল ইন্ডিয়া থেকে শুরু করে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে ভারতকে নিয়ে যাওয়া—এই সাফল্যই বারবার ব্যালট বাক্সে মোদীর ওপর ভরসা রাখতে বাধ্য করেছে দেশবাসীকে।
জনমত কী বলছে? বিরোধীদের শত আক্রমণ সত্ত্বেও মোদীর জনপ্রিয়তা গ্রাফ আজও ঊর্ধ্বমুখী। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে, সাধারণ মানুষের কাছে মোদী আজও আস্থার অপর নাম। দীর্ঘ ২৫ বছরের শাসনকালেও দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তাঁকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
একজন সাধারণ চা বিক্রেতা থেকে দেশের কান্ডারি হওয়ার এই দীর্ঘ লড়াইয়ের গল্প যেমন অনুপ্রেরণাদায়ক, তেমনই তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন এক অধ্যায়। ২৫ বছর পরেও জনসমর্থনের এই জোয়ার প্রমাণ করে যে, দেশের মানুষ মোদীর নেতৃত্বের ওপর এখনও অগাধ বিশ্বাস রাখেন।





