মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় ফের চরম উত্তেজনার পারদ। আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ভূপতিত করার চাঞ্চল্যকর দাবি করল ইরান। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, বিধ্বস্ত বিমানটি আমেরিকার গর্ব ‘F-35 Lightning II’ না হলেও, এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ‘F-15E Strike Eagle’ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক লড়াই এখন চরমে।
🚁 আটক মার্কিন পাইলট, উদ্ধারকাজ ব্যর্থ!
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা Tasnim News Agency দাবি করেছে, মার্কিন বিমানবাহিনীর দুই পাইলটকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে ইরানের সেনা। ইরানের কোহগিলুয়ে ও বোয়ের-আহমাদ প্রদেশে বিমানটি ধ্বংস হওয়ার পর পাইলটরা ইজেক্ট করে নিচে নামলে তাঁদের ধরে ফেলা হয়।
মার্কিন বাহিনী তাঁদের উদ্ধারের জন্য Black Hawk হেলিকপ্টার এবং C-130 Hercules বিমান পাঠিয়ে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করলেও সাফল্য মেলেনি। উল্টে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, উদ্ধারকাজে আসা একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারকেও গুলি করে নামিয়েছে ইরানি ফৌজ।
🔥 একের পর এক হামলা: নিশানায় F-35?
শুক্রবার Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের আধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে মধ্য ইরানের আকাশে আরও একটি F-35 Lightning II যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানটি আমেরিকার বিখ্যাত ‘লেকেনহিথ স্কোয়াড্রন’-এর অংশ ছিল এবং এটি পুরোপুরি ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছে।
💰 শত্রু পাইলটকে ধরলে পুরস্কারের ঘোষণা
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত চ্যানেলগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে মার্কিন পাইলটদের প্যারাশুটে নামার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, স্থানীয় সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করা হয়েছে— কোনো নাগরিক যদি শত্রু পাইলটকে জীবিত অবস্থায় পুলিশের হাতে তুলে দিতে পারেন, তবে তাঁকে বড়সড় পুরস্কার দেওয়া হবে।
⚪ নীরব পেন্টাগন, বাড়ছে জল্পনা
ইরানের পক্ষ থেকে একের পর এক দাবির পাহাড় খাড়া করা হলেও, এখনও পর্যন্ত আমেরিকার Pentagon, White House বা US Central Command-এর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। আমেরিকার এই রহস্যজনক নীরবতা আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি কি সত্যিই কোনো বড় যুদ্ধের শুরু, নাকি প্রোপাগান্ডার লড়াই— তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।





