অবসর গ্রহণের পর নিয়মিত বেতন বন্ধ হলেও আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে পেনশনভোগীরা মুক্তি পান না। আয়কর বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, পেনশনকে ‘বেতন’ হিসেবেই গণ্য করা হয় এবং আয়ের সীমা অতিক্রম করলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। ২০২৬-২৭ মূল্যায়ন বর্ষের জন্য ইতোমধ্যে আইটিআর-১ এবং আইটিআর-৪ দাখিল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার শেষ সময়সীমা ৩১ জুলাই, ২০২৬। সময় পেরিয়ে গেলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফি দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
পেনশনভোগীরা যথাযথভাবে আইটিআর দাখিল করলে ট্যাক্স রিফান্ড পাওয়া সহজ হয় এবং ভবিষ্যতে ঋণ বা ভিসার আবেদনের জন্য আইনি নথিপত্র তৈরি থাকে। সরকার প্রবীণদের জন্য একাধিক ছাড়ের সুযোগ রেখেছে। স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ছাড়াও ধারা ৮০টিটিবি (80TTB) অনুযায়ী ব্যাংক ও পোস্ট অফিসের সুদের ওপর ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। এছাড়া ধারা ৮০ডি (80D) অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়ামে ৫০,০০০ টাকা এবং গুরুতর অসুস্থতার চিকিৎসায় ধারা ৮০ডিডিবি (80DDB) অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় দাবি করা সম্ভব।
পাশাপাশি, ধারা ৮০সি (80C) অনুযায়ী জীবন বিমা বা পিএফ-এ বিনিয়োগ করে ১.৫ লক্ষ টাকা এবং ধারা ২৪(বি) অনুযায়ী গৃহঋণের সুদে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর সাশ্রয় করা যায়। ব্যবসায়িক আয় না থাকলে প্রবীণদের অগ্রিম কর দেওয়ার ঝামেলাও নেই। তবে কর সাশ্রয়ের জন্য পুরোনো নাকি নতুন কর ব্যবস্থা—কোনটি আপনার জন্য লাভজনক, তা ভেবে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।





