অ্যাজমা বা হাঁপানির নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎ?সা নেই। এমন কোনো ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি, যা হাঁপানি একেবারে সারিয়ে দিতে পারে। একেবারে না সারলেও ওষুধ কিংবা ইনহেলারের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আবার নিয়মমতো ডায়েট মেনে চললেও হাঁপানির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ফুসফুসকে হাঁপানি রক্ষা করার জন্য অ্যাভোক্যাডো খুবই উপকারী একটা ফল।
কলা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য সব দিক দিয়ে খুবই উপকারী একটি ফল। চিকিৎসকরা বলেন, রোজ একটা করে কলা খেলে হাঁপানির আশঙ্কা ৩৪ শতাংশ কমে যায়। কারণ কলায় উচ্চমাত্রায় ফাইবার থাকে, যা হাঁপানি থেকে আমাদের ফুসফুসকে বাঁচায়। কলার মতো সবুজ শাকসবজিও শরীরের পক্ষে সবসময়ই উপকারী। বিশেষ করে পালং শাক। পালং শাকে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম ও বেটা ক্যারোটিন থাকে। এগুলো সবই হাঁপানি প্রতিরোধকারী উপাদান। জীবাণু ধ্বংসের জন্য হলুদ খুবই উপকারী একটি উপাদান। তাই হাঁপানি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য খাবারে হলুদ ব্যবহার করা প্রয়োজন। আপেলের গুণাগুণ অনেক। তবে বেশিরভাগ মানুষই জানেন না, হাঁপানি থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করার জন্য আপেলের মতো উপকারী ফল খুব কমই আছে।