সম্পর্ক শব্দটি ছোট হলেও এর দায়িত্ব অনেক। এটিকে টিকিয়ে রাখতে অনেক ত্যাগ আর ধৈর্য ধারণ করতে হয়। সম্পর্ক অনেক রকমের হয়ে থাকে। যেমন- মা-বাবার সঙ্গে সম্পর্ক, ভাই-বোনের সঙ্গে সম্পর্ক, অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক। এছাড়াও রয়েছে স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক। খুবই স্পর্শকাতর হয়ে থাকে এসব সম্পর্ক।
তাই ভালোবাসার গভীরতা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় ঠুনকো অভিমানের জন্য সম্পর্ক ভেঙে যায়। তাই বন্ধন সুদৃঢ় করতে একটু-আধটু মিথ্যা বললে দোষ হয় না। বরং সংসার সুখের হয় মিথ্যার গুণে! তবে শুধু দম্পতি নয়, ৮টি মিথ্যা মজবুত রাখতে পারে প্রেমের সম্পর্ককেও! চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই ৮টি মিথ্যা সম্পর্কে যেগুলো সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে-
>> সঙ্গী বা সঙ্গিনী কোনও উপহার দিলে, সেটা পছন্দ না হলেও খুশি মনে গ্রহণ করুন। এক্ষেত্রে কলহ হবে না।
>> সঙ্গী বা সঙ্গিনী কিছু পরলে, সেটা তাকে না মানালেও সত্যিটা বলা যাবে না! বরং বলুন তোমাকে দারুণ মানিয়েছে।
>> সঙ্গী বা সঙ্গিনী একসঙ্গে কোনো চলচ্চিত্র দেখতে চাইলে, সেটা যত অপছন্দই হোক না করবেন না। বরং এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখান।
>> সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কোনো রসিকতায় অন্যের হাসি না-ই পেতে পারে! তবে আপনি হাসুন, মজা করুন। রসিকতায় সমর্থন জানিয়ে হাসা-ই ভালো!
>> খারাপ হলেও বলুন রান্না দারুণ হয়েছে। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর রান্না কারও পছন্দ না হতেই পারে। কিন্তু আপনার কাছে সেটাই হোক অমৃত। প্রথমবার মিথ্যা বলাই ভালো!
>> এখনো সমাজে অনেকে স্থূলকায় ব্যক্তিদের নিয়ে পরিহাস করেন। তাই সঙ্গী বা সঙ্গিনীর চেহারা নিয়ে সরাসরি কথা না বলাই ভালো। উল্টো সঙ্গিনী বা সঙ্গীর প্রশংসা করুন।
>> সঙ্গী বা সঙ্গিনীর পরিবারের ব্যক্তিদের কাউকে অপছন্দ হতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে তার পরিবারের সদস্যদের নিন্দা করবেন না। মনের কথা বরং মনেই রাখুন। ব্যক্তিটি খারাপ হলে সময় মতো আপনাআপনি তার মুখোশ খুলে যাবে।
>> কখনো কখনো সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সব কথা সঠিক হয় না। অনেকে গুছিয়ে কথা বলতে পারেন না, এতে সরাসরি কথা না ধরে পরিস্থিতি বুঝে তা এড়িয়ে গিয়ে উল্টোটা বলা বুদ্ধিমানের কাজ!





