১. তরমুজ- গরমে নিশ্চিন্ত মনে তরমুজ খান। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে। এছাড়াও তরমুজে আরজিনাইন নামে একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যেগুলি ফ্যাট ঝরাতে দারুণ কাজ করে। ১০০ গ্রাম তরমুজে মাত্র ৩০ ক্যালোরি থাকে। তাছাড়া তরমুজ খেলে অনেকক্ষণ শরীর আদ্র থাকে, এবং পেট ভরাও থাকে।
২. পেয়ারা- পেয়ারাও ওজন কমাতে সাহায্য করে বলেই মত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। তাছাড়া ডায়াবেটিক বা ব্লাড সুগার-এর রুগীরাও নিশ্চিন্তে পেয়ারা খেতে পারেন। আর পেয়ারা অন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। আদতে যা ওজন কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৩. আপেল- ওজন কমাতে চাইলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে আপনার ডায়েটে একটি মাঝারি সাইজের আপেল রাখতেই হবে। কারণ, মাঝারি সাইজের একটি আপেলে ৫০ ক্যালরি মতো থাকে। কিন্তু কোনও ফ্যাট বা সোডিয়াম থাকে না।
৪. ন্যাসপাতি- শরীরের প্রয়োজনীয় ফাইবারের একটা বড় অংশ এই ফলটির থেকে পাওয়া যায়। ন্যাসপাতি খেলে পেটও ভরা থাকে। ফলে, হজমশক্তি বাড়ানোর জন্য এই ফলটি দারুণ উপকারী। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া, কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে ন্যাসপাতি। ডায়েবেটিস এবং হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে ন্যাসপাতি।
৫. কমলালেবু- ১০০ কেজি কমলালেবুতে মাত্র ৪৭ ক্যালোরি থাকে। ফলে, ওজন বাড়ানোর ভয়ে যাঁরা মেপে খাওয়াদাওয়া করেন, এই ফলটিকে নিজেদের ডায়েটে রাখতেই পারেন।
৬. কলা- ব্যায়াম বা জিম করার পরে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি পেতে কলার জুড়ি মেলা ভার। কলায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং পটাসিয়াম থাকে, যা ওজন ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৭. স্ট্রেবেরি- এই ফলটি শরীরে অ্যাডিপোনেকটিন এবং লেপটিন নামে দু’টি ফ্যাট বার্নিং হরমোনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়।
৮. বেদানা- বেদানায় প্রচুর পরিমাণে পলিফেনলস অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস থাকে। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুণ উপকারী। এছাড়াও বেদানা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।