অলিভ অয়েলকে তরল সোনা বলা হয়। ভেষজ গুণে ভর পুর অলিভ অয়েল কেবল মাত্র যে রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় এমনটা নয়, নিয়মিত রূপ চর্চার অঙ্গ হিসাবেও অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। চুল আর মুখের যত্ন নিয়ে তার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলতে অলিভ অয়েলের ভূমিকা অনেকখানি। আসুন জেনে নিন আপনার রোজকার জীবনে কীভাবে ব্যবহার করবেন এই তেল-
১. পার্টি কিংবা কোনও অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পর মুখের মেক আপ তোলার জন্য ব্যবহার করতে পারেন অলিভ অয়েল। ক্লিনজার হিসেবে অলিভ অয়েল খুবই উপকারি। মুখের মেকআপ পরিষ্কার করার সঙ্গে সঙ্গে এই তেল মুখের চামড়া কেও নরম রাখে।
২. অলিভ অয়েলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বকের পিগমেন্ট গুলোর সঙ্গে লড়াই করে। আর এর ভেতরে থাকা ফ্যাটি লিপিড গুলো ত্বকের ময়েশ্চারাইজিংয়ে সহায়তা করে। শুকনো, মৃত ত্বক আবার চনমনে করে তোলে অলিভ অয়েল।
৩. চুলের যত্নের পিছনে অলিভ অয়েলের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিনের ব্যস্ততা, রাস্তার ধুলো বালি চুলের ক্ষতি করে। সেখানে অলিভ অয়েল চুলকে পুষ্টি দেয়। চুলকে নরম রাখে। চুলের বাইরের আদ্রতাকে বাড়িয়ে তোলে। জট মুক্ত, রেশমের মতো নরম চুল পেতে নিয়মিত ব্যবহার করুন অলিভ অয়েল।
৪. নখের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। নখের কিউটিকলকে মুজবুত রাখতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতেই পারে।
৫. ঠোঁট ফাটা, পা বা পায়ের গোড়ালি ফাটার সমস্যা সারাতে দুর্দান্ত কাজে দেয় অলিভ অয়েল। শীত কালে দারুণ উপকারে লাগে এই তেল।
৬. শেভিং বা ওয়্যাক্সিংয়ের আগেও অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। তাতে শেভিংয়ের পরে চামড়াতে কোনও রকম জ্বালাযন্ত্রণা থাকে না।
সারা বছরই নানা ভাবে উপকারে আসে এই অলিভ অয়েল। আর শীতে ফাটা ত্বকের যত্ন নিতে অলিভ অয়েলের থেকে বেশি উপকারি আর কিচ্ছু নেই!





