শুকনো ত্বকের জন্য কেনা ক্রিম নয়, এবার বানান ঘরে তৈরি বডি বাটার! জেনে নিন মধুকে কাজে লাগিয়ে ম্যাজিক ময়েশ্চারাইজার বানানোর সহজ রেসিপি!

আবহাওয়ার দরুন ত্বকের আর্দ্রতা কমে গেলে শুষ্ক ত্বকে ইরিটেশন ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ত্বকের আরাম ও আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রয়োজন হয় ময়েশ্চারাইজারের। দোকান থেকে কেনা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করে, এবার ব্যবহার করুন ঘরে তৈরি বডি বাটার। আপনার রান্নাঘরে থাকা সহজলভ্য কয়েকটি উপাদানের ব্যবহারে সবচেয়ে উপকারী ও চমৎকার এই ময়েশ্চারাইজারটি সহজে বানিয়ে নেওয়া যাবে।

বডি বাটার ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে যা যা লাগবে:

উপাদানপরিমাণ
মধু২ টেবিল চামচ
মাখন১ টেবিল চামচ
নারকেল তেল১ টেবিল চামচ
মোম (Beeswax)দেড় টেবিল চামচ
আমন্ড অয়েল১ টেবিল চামচ

বডি বাটার ময়েশ্চারাইজার যেভাবে তৈরি করতে হবে:

১. উপাদান মেশানো: একটি পাত্র মাঝারি আঁচে গরম করে তাতে মধু দিয়ে দিন। এরপর চুলার আঁচ কমিয়ে একে একে বাকি উপাদানগুলো যোগ করুন। প্রথমে মাখন দিয়ে নেড়েচেড়ে গলিয়ে নিন, তারপর মোম দিন। উপাদানগুলো মেশানোর জন্য কাঠের চামচ ব্যবহার করুন।

২. আমন্ড অয়েল মেশানো: সবশেষে যোগ করুন আমন্ড অয়েল। আমন্ড অয়েল দেওয়ার পর নেড়েচেড়ে সকল উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে।

৩. হুইস্ক করা: মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে জমে যাওয়ার পর চামচের সাহায্যে ভালোভাবে হুইস্ক (Whisk) করতে হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত মিশ্রণটি ফ্লাফি তথা নরম হয়ে আসে।

৪. সংরক্ষণ: মিশ্রণটিতে কাঙ্ক্ষিত টেক্সচার চলে আসলে বুঝতে হবে ময়েশ্চারাইজার তৈরি হয়ে গেছে। তৈরি হয়ে যাবার পর মুখবন্ধ কাঁচের জারে তুলে সেটা সংরক্ষণ করতে হবে।

বডি বাটার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের উপকারিতা:

১. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল: মধু থাকার ফলে এটি সম্পূর্ণ অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা নিয়মিত ব্যবহারে র‍্যাশ কিংবা পিঠে ব্রণের উপদ্রব দেখা দেওয়ার মাত্রা কমে যায়।

২. একজিমার সমাধান: এই ময়েশ্চারাইজারটি একজিমার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

৩. ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক নিরাময়: অতিরিক্ত শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে খুব সহজেই ভালো করে তোলে।

৪. অ্যান্টি-এজিং: এই ময়েশ্চারাইজারটি অ্যান্টি-এজিং উপাদান হিসেবে কাজ করবে এবং ত্বকের বলিরেখা দেখা দেওয়া প্রতিরোধ করবে।