একটি নতুন গবেষণা অনুযায়ী দেখা গেছে, শরীরে বেশি মেদ থাকলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের শিকার হয় মানুষ।অনিয়মিত বা দ্রুত হৃদ্স্পন্দন আরটিরিয়াল ফিব্রিলেলশন নামে পরিচিত এবং এটি স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিওর এবং অন্যান্য জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। গবেষণাটি পেন স্টেট কর্তৃক পরিচালিত হয়েছিল এবং আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তা প্রকাশিত করেছে.
গবেষণার জন্য, আট বছর ধরে একটা বড়ো দলের ওপর নজর রাখা হয়েছিল, এবং তার মধ্যে মোটা ও সাধারণ ওজন বিশিষ্ঠ, উভয় মানুষই বিদ্যমান ছিল।পরীক্ষামূলক ভাবে দেখা গেছে যে , মেদ যুক্ত মানুষদের সাধারণদের থেকে ৪০% বেশি আট্রিয়াল ফিব্রিলেল্যাশন হওয়ার সম্ভবনা আছে । গবেষক অ্যান্ড্রু ফয়ের মতে, এই গবেষণা প্রমাণ করে দিয়েছে যে, ওজন কমানোর বিষয়টি একেবারেই সাধারণ বিষয়. তিনি বলেন, “যদি আপনি স্থূলতার শিকার হন , এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ব্যায়াম, বা এমনকি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ওজন কমাতে সক্ষম হন , আট্রিয়াল ফিব্রিলেল্যাশন-এর মত দীর্ঘস্থায়ী শর্ত অবশ্যই আপনার জীবনের ঝুঁকি কমিয়ে দেবে।”
স্থূলতা দূর করতে এই চারটি খাদ্য এড়িয়ে চলুন :
রীফাইনড কার্বোহাইড্রেটস : প্রথমেই যেটি আপনাকে করতে হবে সেটি হলো, আপনার রোজকার ডায়েট থেকে রীফাইনড কার্বোহাইড্রেটস সরিয়ে ফেলে খোসা সমেত শস্যদানা খান যেগুলোতে যথেষ্ঠ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেটস থাকে। এগুলো রক্তের শর্করার এবং উচ্চ রক্তচাপ পরিচালনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
রেড মিট : খাসির মাংস , পর্ক ছেড়ে মুরগির মাংস বা হাঁসের মাংস খান যা আপনার মেদ কমাতে সাহায্য করবে। চর্বিহীন মাংস আপনার শরীরের ওজন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রোটিনের মাত্রাও বাড়ায়।
ট্রান্স ফ্যাট : চিপস, তেলেভাজা জাতীয় খাদ্যে নুন ও ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি, তাই এই ধরনের খাবার না খাওয়াই ভালো। ফাস্ট ফুড , চীজ যুক্ত পাস্তা , নুডলস , বা যে কোনো রেডিমেড খাবারেই ট্রান্স ফ্যাট প্রচুর পরিমানে থাকে।
রীফাইনড চিনি : শরীরে মেদ জমার মোক্ষম কারণ রীফাইনড চিনি, তাই যেকোনো মোটা মানুষের এর থেকে দূরে থাকায় শ্রেয়।রোগ হওয়ার জন্য, কোন খাদ্যে চিনির পরিমাণ কত, সে বিষয়ে অবশ্যই আপনাকে দৃষ্টি রাখতে হবে.
COMMENTSজাঙ্ক ফুড : স্থূলতার আসল কারণ হলো জাঙ্ক ফুডের নেশা। সপ্তাহে একবার বার্গার বা ভাজাভুজি খাওয়া যেতেই পারে, কিন্তু তা যেন আপনার রুটিনে পরিণত না হয় । যে কোনো মোটা মানুষের উচিত এসমস্ত খাবার ত্যাগ করে তাজা ফল সবজি খাওয়া।