নতুন মোজা কেনার আগে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন, দেখেনিন

পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষের প্রতিটি পায়ের পাতায় প্রায় সোয়া লাখ করে ঘাম গ্রন্থি থাকে। এ কারণে বদ্ধ অবস্থায় পা অনেক দ্রুত ঘামে। যদি মোজা পায়ের আর্দ্রতা বাইরে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে নিজেই শুষে নেয়, তাহলে পায়ে অস্বস্তি বোধ হবে। এতে দুর্গন্ধও ছড়াতে পারে।

মোজা এমন একটি অনুসঙ্গ যা ঠিক-ঠাক বাছাই করা না গেলে, অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়। শুধু তাই নয়, ভুল ধরনের মোজা ব্যবহারে পায়ে ফোসকা পরতে পারে।

অফিসে পরার জন্য এক রকম, আর খেলার মাঠে অন্যরকম- এটা মাথায় রেখে কিনতে হবে। পোশাক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সবক্ষেত্রে ভালো মোজা ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তবে কোন ধরনের মোজা সঠিক হবে তা নির্ভর করবে পছন্দ ও ব্যবহারের উদ্দেশ্যের ওপর।

>>মোজা কেনার আগে প্রথমে এর কাপড় বা ফেব্রিকের প্রতি নজর দিন। কাপড়ের সুবিধা-অসুবিধাগুলো জানা থাকলে মোজা বাছাইয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া যায়।

>> কটন কাপড় আরামদায়ক হলেও মোজার ক্ষেত্রে এটি ভালো নয়। কারণ, কটন কাপড় বেশি পরিমাণে আর্দ্রতা শোষণ করে। এর ফলে পায়ের ত্বকে স্যাঁতসেঁতে কাপড়ের ঘষায় ফোসকা পরতে পারে। তবে পা বেশি না ঘামালে কটন কাপড়ের মোজা ব্যবহার করা যায়।

>>মোজার জন্য সিন্থেটিক কাপড় বেছে নিতে পারেন। এটি পায়ের জন্য বেশ আরামদায়ক, টেকসই ও আর্দ্রতা উপযোগী।

>>নাইলন মোজাও ভালো। তবে মোজা বাছাইয়ের সময় আপনাকে ব্যবহারের উদ্দেশ্যের কথা বিবেচনা করতে হবে।

>>মোজা দেখতে সুন্দর কিনা সেটিও যাচাই করেত হবে।

>>অনেকে তাদের স্নিকারের সঙ্গে উজ্জ্বল রংয়ের ও দৃশ্যমান মোজা পরতে পছন্দ করেন। তবে আপনি যদি পেশাদার পরিবেশে কাজ করেন, সেখানে আপনার ব্যবহৃত মোজাগুলোও দেখতে পেশাদার হওয়া চাই। অর্থাৎ, আপনার জুতার রংয়ের সঙ্গে মেলে এমন মোজা ব্যবহার করতে পারেন।

>> হাইকিং, ব্যাকপ্যাকিং ও লম্বা বুট জুতার সঙ্গে পড়ার জন্য ক্রু মোজা বেশি মানানসই। আর স্কিইংয়ের জন্য ওভার-দ্য-কাফ মোজা ভালো।

>> মোজা যেন পায়ের আঙ্গুলগুলো বেশি পরিমাণে আঁটসাঁট করে না রাখে। তাহলে পায়ে ফোস্কা পরার সম্ভাবনা থাকবে।bs