১. কেন করছেন?
কোনও ব্যক্তি এমনি এমনি চিৎকার করেন না। তাঁর এই ব্যবহারের পিছনে ঠিক কি কারণ রয়েছে, তা খুঁজে বের করা জরুরি। তাই আপনাকে উচ্চ স্বরের মাঝে দাঁড়িয়েও স্ত্রীর কথা মন দিয়ে শুনতে হবে। দেখুন তিনি কী বলতে চাইছেন। সঠিক কোনও কারণ থাকলে নিজেকে বদলে নিতেই পারেন। আসলে আমাদের শেখার তো কোনও বয়স নেই!
২. পাত্তাই দেবেন না
বহু মহিলারা শুধুমাত্র মনোযোগ আকর্ষণের জন্য এই কাজটি করে থাকেন। আপনার স্ত্রীর মধ্যে এই একই প্রবণতা থাকলেও থাকতে পারে। তাই তিনি চিৎকার করলে, এখন থেকে আপনি তাকাতেও যাবেন না। তাঁর প্রতি মনোযোগ না দিলেই তিনি শান্ত হবেন। আর একবার-দুইবার চিৎকার করার পরও আপনি পাত্তা না দিলে দেখবেন তিনি আগামীদিনে এই ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছেন
৩. ঝগড়া করলেই বিপদ
অনেক পুরুষেরই ধৈর্য খুব কম। তাই স্ত্রী ঝগড়া শুরু করলেই তাঁরাও এতে অংশ নেন। এমনকী তারস্বরে চিৎকার করেন। এই ধরনের ব্যবহার আপনার থেকে কাঙ্খিত নয়। কারণ মাথা গরম করলে আদতে সমস্যা বাড়ে। তখন হাতের বাইরে যেতে থাকে পরিস্থিতি। তাই চেষ্টা করুন সেই সময়টুকু অন্তত চুপ করে থাকার। দেখবেন সমস্যার সমাধান হবে।
৪. স্পিকটি নট
স্ত্রীর এই ধরনের ব্যবহারের বদলা আপনাকে নিতে হবে। তবে এই বদলা মানে তাঁর ক্ষতি করা নয়। বরং আপনাকে বন্ধ করতে হবে কথা। যতদিন তিনি এই ব্যবহার করবেন, আপনি চুপ করে যান। দেখবেন তিনি নিজের ভুল বুঝতে পারবেন। এমনকী আপনার কাছে এসে ক্ষমাও চাইবেন। তারপর মুখ খুললেও খুলতে পারেন।
৫. বিশেষজ্ঞের কাছেই মুশকিল আসান
অনেকে অ্যাটেনশন ডেফিসিটি হাইপারঅ্যাক্টিভ ডিজঅর্ডারে ভোগেন। ছোট থেকেই তাঁদের মধ্যে এই সমস্যার লক্ষণ দেখা যায়। তবে সঠিক চিকিৎসা না হওয়ায় কারণে বড় হওয়ার পরও সমস্যা পিছু ছাড়ে না। তাই স্ত্রীকে নিয়ে বিশেষজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যান। তিনি সব শুনে রোগ নির্ণয় করতে পারবেন। এমনকী নেবেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। তারপর দেখবেন স্ত্রীর মধ্যে এসেছে বদল। আপনারা আনন্দে সংসার করতে পারবেন।