ঘুম থেকে উঠেও আলস্য ভাব জাপটে ধরেছে? কাটাবেন যেভাবে!

অনেকেই মনে করেন, আট ঘণ্টার ঘুমও তাদের জন্য পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ঘুম শরীরের জন্য ভালো নয়। যেমন কম ঘুম হলে নানা সমস্যা হয়, তেমনই অতিরিক্ত ঘুমও শরীরে বিভিন্ন ঝক্কি বয়ে আনে। পর্যাপ্ত ঘুম যেমন জরুরি, তেমনই প্রয়োজন ঘুমকে সঠিক নিয়মে নিয়ন্ত্রণ করা।
ঘুম নিয়ন্ত্রণের কয়েকটি কার্যকর উপায় জেনে নিন আজ:
নির্ধারিত সময় মেনে চলুন
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে উঠুন। নিয়মিতভাবে এটা বেশ কিছুদিন করতে পারলে শরীর এই রুটিনে ধাতস্থ হয়ে যাবে এবং ঘুমের একটি নির্দিষ্ট ছন্দ তৈরি হবে। এই ছন্দটা কখনোই ভাঙতে দেবেন না। ছুটির দিনেও একই রুটিন মেনে চলা উচিত।
অ্যালার্মের সঠিক ব্যবহার
অ্যালার্ম দিলেই কাজ হবে এমনটা নয়। যদি এক ধরনের অ্যালার্মে আপনার ঘুম না ভাঙে, তবে দু’-তিন জায়গায় অ্যালার্ম সেট করা ভালো। প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্ম টোন ব্যবহার করতে পারেন। একটু চেষ্টা করলেই ভালো ফল পাবেন।
ছুটির দিনের ঘুম নিয়ন্ত্রণ
অনেকেরই মনে হয়, সপ্তাহের ছুটির দিনে বেশি করে ঘুমিয়ে নিলে বাকি ৬ দিন চনমনে থাকা যাবে। কিন্তু এই ধারণা ঠিক নয়। বরং ঘুমের নিয়ম প্রতিদিন এক রাখা প্রয়োজন। শরীর যে মুহূর্তে বেশি ঘুমের আরাম পেয়ে যায়, তখনই তার চাহিদা বাড়তে থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন রুটিনকে ব্যাহত করে।
আরামদায়ক ঘুমের পরিবেশ
ঘুমানোর জায়গাটা আরামদায়ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনার ঘর অন্ধকার এবং ঠান্ডা রাখুন। ঘুমানোর সময় সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস সুইচ অফ করে দিন। বালিশ আর বিছানার গদি যেন আপনার অস্বস্তির কারণ না হয়, তেমন হলে তা দ্রুত বদলে ফেলুন। একটি আরামদায়ক পরিবেশ নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের জন্য অপরিহার্য।
এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি ঘুম থেকে ওঠার পর আলস্য ভাব কাটিয়ে চনমনে থাকতে পারবেন এবং আপনার শরীরও সুস্থ থাকবে। আপনার কি মনে হয়, এই টিপসগুলো আপনার কাজে আসবে?