খাবার ও ঘুমের উপর নির্ভর করে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি : জানালো সমীক্ষা

আপনার বয়সেই অনেক নারী-পুরুষ হার্ট অ্যাটাকের কারণে আকস্মিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন। তাই গোড়া থেকেই সচেতন হোন, নিজের যত্ন নিতে শিখুন, সুশৃঙ্খল জীবনযাপনে সচেষ্ট হোন।

: আগে যা-ই করে থাকুন না কেন, ধূমপানকে চিরতরে না বলে ফেলুন।

: পেটের মেদ বাড়তে দেবেন না। এশীয় পুরুষদের জন্য সঠিক ভুঁড়ির মাপ হচ্ছে ৯০ সেন্টিমিটার, আর এশীয় নারীদের জন্য ৮০ সেন্টিমিটার। এর বেশি হলেই ঝুঁকি বাড়ে। উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখুন। বাড়তি মেদ ঝেড়ে ফেলতে সচেষ্ট হোন।

: যত ব্যস্ততাই থাকুক, প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটা, ব্যায়াম, সাঁতার, জগিং, সাইকেল চালানো বা খেলাধুলা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর বাইরেও যথাসম্ভব কায়িক শ্রমের জন্য বাগান করুন, নিকট দূরত্বে হেঁটে যাওয়া-আসা করুন, লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করুন, সন্তানদের সঙ্গে খেলাধুলা করুন, বাড়ির বিভিন্ন কাজে সাহায্য করুন। অফিস থেকে ফিরেই টেলিভিশন বা কম্পিউটার নিয়ে বসবেন না।

রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানোর অভ্যাস হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। নতুন একটি গবেষণায় এ বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।গবেষকদের মতে, ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান এ ব্যক্তিদের চেয়ে যাদের ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানোর অভ্যাস (চোখ বন্ধ থাকা) তাদের কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৫ ভাগ বেশি।

কম ঘুমানোর অভ্যাস অথেরোস্ক্লেরোসিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় যা ধমনীকে সরু ও কঠিন করে দেয়। এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছে স্প্যানিশ ন্যাশনাল সেন্টার ফর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ।আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজি জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

স্পেনের ৪,০০০ ব্যাংক কর্মীর ওপর এ গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিল গড়ে ৪৬ এবং তাদের হৃদরোগের আক্রান্ত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। গবেষণার ফলাফলে দেখানো হয়েছে, ওষুধের চেয়ে ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন করে দ্রুত ও সহজেই হৃদরোগের প্রতিকার সম্ভব।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy