যখন তখন দারুণ পেরেশান করে দিতে পারে মাথাব্যথা। চটজলদি মুক্তি পেতে কোনো ওষুধ খেয়ে ফেলেন অনেকে। অথচ ওষুধ ছাড়াই মাথাব্যথা দূর করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা জানান তেমনই ১০টি সহজ ও কার্যকর সমাধান।
১. জল পান করুনঃ দেহে জলের অভাব মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। জল, তাজা ফলের জুস ইত্যাদি খেলে ডিহাইড্রেশন চলে যাবে। তবে এ সময় কফি বা চায়ের মতো ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় খাবেন না।
২. ম্যাসাজঃ মাথার যে অংশে বেশি ব্যথা অনুভূত হচ্ছে, সেখানে হালকা ম্যাসাজ করুন। হাতের আঙুলের ব্যবহার করতে পারেন নিজেই। ব্যথা অংশে হাতের তালু ৭-১৫ সেকেন্ড চাপ দিয়ে ধরে রাখুন এবং ছেড়ে দিন। একই কাজ কয়েকবার করুন। সংকুচিত পেশি শিথিল হবে এবং রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পেলে ব্যথা চলে যাবে।
৩. সময়মতো স্বাস্থ্যকর খাবারঃ ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খেতে হবে। খাবারটা সময়মতো খাওয়াও জরুরি। সঠিক সময়ে মস্তিষ্কের গ্লুকোজ প্রয়োজন হয়। এর অভাব ঘটলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। ফলাফল মাথাব্যথা।
৪. যথেষ্ট ঘুমঃ এর অভাব মাথাব্যথার কারণ। ঘুমের বিভিন্ন স্তরে ব্যাঘাত ঘটলে মাথাব্যথা হতে পারে। এ জন্য ভালোমতো ঘুমিয়ে নিতে হবে।
৫. বিশ্রাম নিনঃ দুই চোখ বন্ধ করে স্থিত হয়ে বসুন। সব রকম চাপ ও উত্তেজনা প্রশমন করুন। এভাবে কিছু সময় বিশ্রাম নিন।
৬. উষ্ণ জলে স্নান: হালকা গরম জলে স্নান করে ফেলুন। মাথা, ঘাড় ও পিঠে বেশি বেশি জল ঢালুন। এসব স্থানের পেশি আরাম পাবে। ব্যথা সেরে যাবে।
৭. হাসি বা কৌতুকঃ হালকা মাথাব্যথা হাসিতেই দূর হতে পারে। এ কাজের সময় মস্তিষ্কে এন্ড্রোফিন হরমোনের ক্ষরণ ঘটে। এই হরমোন ভালো লাগা অনুভূতি দেয়। কাজেই যত এন্ড্রোফিন নিঃসৃত হবে, তত ভালো লাগবে।
৮. পছন্দের কাজ করাঃ যেমন গান শোনা। মাথাব্যথা কমাতে সংগীত অনেকটা ওষুধের মতো কাজ করে। এমনই কিছু মনের মতো কাজ করুন আয়েশের সঙ্গে।
৯. মুক্ত বাতাসে বুক ভরে শ্বাসঃ মুক্ত বাতাসে গভীরভাবে শ্বাস নিলে মাথাব্যথা দূর হয়। এটা একটা বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক উপায়।
১০. কাজ থেকে বিরত থাকাঃ দৈহিক ও মানসিক চাপপূর্ণ কাজের সময় মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওই মুহূর্তের কাজ থেকে বেরিয়ে আসুন। নিজেকে একটু সময় দিন। মাত্র পাঁচ মিনিট সময়ের মধ্যেই স্ট্রেস কমে আসবে। ব্যথাও বিদায় নেবে।





