ব্যস্ত জীবনযাত্রা আর ডিজিটাল স্ক্রিনের নেশায় বর্তমান প্রজন্মের কাছে পর্যাপ্ত ঘুম যেন এক বিলাসিতা। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, অনিদ্রা বা ঘুমের এই ঘাটতি কেবল ক্লান্তিবোধ নয়, বরং শরীরকে দীর্ঘমেয়াদী রোগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দিনের পর দিন ৬ ঘণ্টার কম ঘুমানো আপনার জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা ৫টি কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন:
হৃদরোগের ঝুঁকি: পর্যাপ্ত না ঘুমালে শরীরে রক্তচাপ এবং স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা সরাসরি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
মানসিক অবসাদ: ঘুমের অভাবে মস্তিষ্কের কোষগুলো সতেজ হতে পারে না। এর ফলে খিটখিটে মেজাজ, চরম উদ্বেগ এবং দীর্ঘস্থায়ী ডিপ্রেশনের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতা: ঘুম কম হলে শরীরে ‘লেপটিন’ ও ‘ঘেরলিন’ নামক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যার ফলে ক্ষুধা বেশি লাগে এবং মেদ দ্রুত বাড়তে থাকে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস: অনিদ্রার কারণে শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে সাধারণ ঠান্ডা-জ্বর থেকে শুরু করে বড় কোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীর লড়তে পারে না।
ডায়াবেটিসের আশঙ্কা: ঘুমের অভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের পথ প্রশস্ত করে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সুস্থ থাকতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম একান্ত প্রয়োজন।





