ঘন ঘন মুখে দুর্গন্ধের কারণে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন। দিনে দুবার ব্রাশ করার পরও এই দুর্গন্ধ যেন থেকেই যায়, ফলে মুখ ঢেকে কথা বলা ছাড়া উপায় থাকে না। মুখগহ্বরের বিভিন্ন রকম জীবাণু এবং দাঁতের নানা সমস্যা মুখের দুর্গন্ধের পিছনে একাধিক কারণ হতে পারে। তবে চিন্তা নেই। কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যে মুখের দুর্গন্ধ দূর করা সম্ভব।
তাৎক্ষণিকভাবে মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য ৫টি কার্যকরী ঘরোয়া উপায় নিচে দেওয়া হলো:
১. লবঙ্গ (Clove)
-
উপকারিতা: লবঙ্গ মুখের দুর্গন্ধ হ্রাস করার পাশাপাশি মাড়ি ফুলে যাওয়ার সমস্যাও কমায়। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপাটিজ, যা মুখে গন্ধ তৈরি করা ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে।
-
ব্যবহার: তাৎক্ষণিক ভাবে মুখের দুর্গন্ধ কমাতে দু’-তিনটি লবঙ্গ নিয়ে চিবিয়ে নিন। দেখবেন গন্ধ একেবারে চলে গেছে।
২. দারুচিনি (Cinnamon)
-
উপকারিতা: লবঙ্গের মতোই দারচিনিতেও রয়েছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। এটি মুখে জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করে।
-
ব্যবহার: মুখ থেকে গন্ধ বেরোলে এক চামচ দারুচিনির পাউডারের সঙ্গে পরিমাণমতো জল মিশিয়ে গরম করে নিন। তারপর সেই জল ছেঁকে নিয়ে কুলকুচি করুন।
৩. লেবুর রস (Lemon Juice)
-
উপকারিতা: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, লেবুর ভেতরের থাকা অ্যাসিডিক কনট্যান্ট মুখগহ্বরে বাসা বেঁধে থাকা জীবাণুদের মেরে ফেলে। ফলে খারাপ গন্ধের প্রকোপ কমতে একেবারেই সময় লাগে না।
-
ব্যবহার: এক কাপ জলে ২ চামচ লেবুর রস ফেলে পান করতে পারেন অথবা সেই জল দিয়ে ভালো করে কুলকুচি করে ফেলে দিতে পারেন।
৪. পুদিনাপাতা (Mint Leaves)
-
উপকারিতা: পুদিনাপাতাকে প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার বলা যেতে পারে। এর কড়া এবং সুগন্ধি স্বাদ দুর্গন্ধকে নিমিষেই ঢেকে দেয়।
-
ব্যবহার: মুখে গন্ধ হলে ২-৩টি পুদিনাপাতা নিয়ে চিবিয়ে ফেলুন।
৫. মধু ও লবণ জল (Honey and Salt Water)
-
মধু: মধুতে জীবাণুনাশক গুণ থাকে এবং প্রদাহ কমাতেও কাজে আসে। আপনি চাইলে মধুর সঙ্গে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়েও খেতে পারেন।
-
লবণ জল: উষ্ণ গরম জলে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে গার্গেল বা কুলকুচি করলেও সুফল মিলতে পারে। লবণ জীবাণু ধ্বংস করে।