বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানির উত্তরপ্রদেশের বাড়িতে গুলিবর্ষণ কাণ্ডের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় কঠোর ব্যবস্থা নিল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই অভিযুক্তের।
গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে দিশা পাটানির গাজিয়াবাদের বাড়িতে ১০ থেকে ১২ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। ঘটনার দায় স্বীকার করে কুখ্যাত গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার এবং রোহিত গোদরা। তাদের দাবি, দিশার দিদি খুশবু পাটানি হিন্দু ধর্মগুরু প্রেমানন্দ মহারাজ ও অনিরুদ্ধাচার্য মহারাজকে অসম্মান করেছেন, যার প্রতিবাদেই এই হামলা। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে দিশার বাবা জগদীশ সিং পাটানির সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, উত্তর প্রদেশ এসটিএফ এবং হরিয়ানা এসটিএফের একটি যৌথ দল এই এনকাউন্টার পরিচালনা করে। পুলিশের তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। নিহতদের নাম রবিন্দর (হরিয়ানার রোহতকের বাসিন্দা) এবং অরুণ (হরিয়ানার সোনিপতের বাসিন্দা)।
এনকাউন্টার প্রসঙ্গে হরিয়ানা এসটিএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, দুজনেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, “দিশা পাটানির বাড়িতে গুলিবর্ষণের পেছনে এই দুজনের সরাসরি ভূমিকা ছিল। আমরা তাদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের পাশাপাশি হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিত্বদের হুমকি দেওয়ার কৌশলও সন্দেহ করছি।”
ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে গেলেও পুলিশ তাদের অনুসরণ করে। পরে গাজিয়াবাদের ট্রোনিকা সিটিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় তারা আহত হয় এবং হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত্যু হয়। জানা গেছে, তারা একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল। এই চক্রের বাকি সদস্যদের খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত চলছে।