৪ বার তারিখ বদলেও মিলল না স্বস্তি! যশের ‘টক্সিক’ দেখে কী বলছেন দর্শকরা?

‘কেজিএফ’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অভূতপূর্ব সাফল্যের পর অবশেষে প্রেক্ষাগৃহে ফিরলেন দক্ষিণী সুপারস্টার যশ। চারবার মুক্তির তারিখ পিছনোর পর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’ অবশেষে দু’দিন আগেই অর্থাৎ বুধবার বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে। গীতু মোহনদাস পরিচালিত এই অ্যাকশন-ড্রামা ঘিরে অনুরাগীদের উন্মাদনা ছিল চরমে। তবে ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখার পর সোশ্যাল মিডিয়া অর্থাৎ এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) উঠে এসেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ছবিটির জমকালো দৃশ্যসজ্জা, বিশাল আয়োজনের প্রোডাকশন ডিজাইন এবং যশের শক্তিশালী স্ক্রিন প্রেজেন্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দর্শকরা। কিন্তু দুর্বল চিত্রনাট্য এবং আবেগের গভীরতার অভাব নিয়ে তুলধোনা করতে ছাড়েননি নেটিজেনদের একাংশ। অনেক দর্শক প্রথমার্ধকে ক্লান্তিকর ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করলেও, গীতু মোহনদাসের শৈল্পিক দৃষ্টিভঙ্গি ও কারিগরি উৎকর্ষের প্রশংসা পেয়েছেন অনেকেই।
এক নেটিজেন লিখেছেন, “অত্যন্ত অগোছালো প্রথমার্ধ! কারিগরি মান ছাড়া বাকি সব দিক থেকেই এটি বিশৃঙ্খল। সঙ্গে কৃত্রিম অ্যাকশন ও হতাশাজনক আবহ সঙ্গীত।” অপর একজন সমালোচনা করে বলেন, “অত্যন্ত স্টাইলিশ যশ এবং জমকালো নির্মাণশৈলী ছবির ইতিবাচক দিক। কিন্তু ভালো সংলাপের অভাব রয়েছে এবং গল্পের সঙ্গে আবেগঘন সংযোগ গড়ে ওঠেনি।” তবে বিপরীত সুরও শোনা গিয়েছে। বেশ কয়েকজন দর্শকের মতে, প্রতিটি চরিত্র ও অ্যাকশন দৃশ্য অসাধারণভাবে পরিবেশন করা হয়েছে।
স্বাধীনতার পরবর্তী গোয়ার মাফিয়া জগতের পটভূমিতে তৈরি এই ছবিতে যশকে গ্যাংস্টার ‘রায়া’ এবং তাঁর ছেলে ‘রুমি’—এই দ্বৈত চরিত্রে দেখা গিয়েছে। ছবিতে কিয়ারা আদবানি, নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরেশি ও রুক্মিণী বসন্তের উপস্থিতি বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। বাণিজ্য বিশ্লেষক সংস্থা স্যাকনিল্কের হিসাব অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনেই ‘টক্সিক’ ভারতে ২৭.৪৫ কোটি টাকার নেট ব্যবসা নিশ্চিত করেছে।