সেমিফাইনালের মহারণের আগে মাঠের বাইরের ‘গরম’ খবর! বিশ্বসুন্দরী ফতিমার সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন জুড বেলিংহ্যাম?

বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের মেগা লড়াই ঘিরে যখন সারা বিশ্ব তোলপাড়, ঠিক সেই মুহূর্তে মাঠের বাইরের এক গসিপ নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। রিয়াল মাদ্রিদ ও ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার জুড বেলিংহ্যামকে নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। আর এই জল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন মিস ইউনিভার্স ২০২৫, ফতিমা বোশ। ফুটবল আর গ্ল্যামার দুনিয়ার এই দুই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে ঘিরে এখন মজে আছে সোশ্যাল মিডিয়া।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই দুই তারকাকে নিয়ে “শিপিং” ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। অর্থাৎ, বাস্তবে কোনো সম্পর্ক না থাকলেও অনুরাগীরা তাদের এই দুই আইকনকে এক ফ্রেমে দেখতে চাইছেন। ইনস্টাগ্রাম থেকে টিকটক—সর্বত্রই তাঁদের ছবি ও ভিডিও এডিট ভাইরাল। কিন্তু এই জল্পনা কেন? বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ মেক্সিকো নিয়ে বেলিংহ্যামের ইতিবাচক মন্তব্য এবং ফাতিমার রিয়াল মাদ্রিদ প্রীতির খবর সামনে আসার পরই নেটিজেনরা তাঁদের “পারফেক্ট পাওয়ার কাপল” হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছেন।
কে এই ফতিমা বোশ? মেক্সিকোর তাবাস্কোর বাসিন্দা ফতিমা ২০২৫ সালে মিস ইউনিভার্সের মুকুট জিতে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন। সৌন্দর্য এবং সমাজসেবামূলক কাজের জন্য তিনি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক নাম। অন্যদিকে, ফুটবলের মাঠে জুড বেলিংহ্যামের দাপট এখন সর্বজনবিদিত। এই দুই ভিন্ন জগতের তারকাকে নিয়ে যখন অনুরাগীদের উন্মাদনা তুঙ্গে, তখন মুখ খুলেছেন খোদ ফতিমা।
মেক্সিকো সিটি বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফতিমা জানান, বেলিংহ্যামের সঙ্গে তাঁর নাম জুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অসংখ্য পোস্ট তিনি দেখেছেন। বেলিংহ্যামকে তিনি একজন অসাধারণ ফুটবলার হিসেবে প্রশংসা করলেও, ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বেশ সাবধানী। ফতিমার কথায়, “একজন মানুষ দেখতে যতই আকর্ষণীয় হোন না কেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তিনি ভালো মানুষ কি না এবং তাঁর মূল্যবোধ কেমন। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে না চিনে সম্পর্ক নিয়ে ভাবা কঠিন।” তাঁর এই পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্য অনুরাগীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড দলের মূল ভরসা জুড বেলিংহ্যাম এই ভাইরাল জল্পনা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তিনি যে মাঠের বাইরের কোনো গুঞ্জনে কান দিতে নারাজ, তা তাঁর নীরবতা থেকেই স্পষ্ট। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জল্পনা কেবলই সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড এবং অনুরাগীদের সৃজনশীল কল্পনা। এখন পর্যন্ত দু’জনের মধ্যে ব্যক্তিগত যোগাযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি। আপাতত মেসি বনাম হ্যারি কেন ব্রিগেডের মাঠের লড়াইয়েই নজর ফুটবল বিশ্বের। মাঠের বাইরের ‘প্রেম কাহিনী’ আপাতত অনুরাগীদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজেই সীমাবদ্ধ থাকছে।