বলিউডের বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘ভূত বাংলা’ মুক্তি পাওয়ার আগেই দানা বাঁধছে বিতর্ক। বিটাউনে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, ছবির অভিনেতা অক্ষয় কুমারের চরিত্রকে বেশি উজ্জ্বল করে তুলতে অভিনেত্রী তাবুর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য নাকি এডিট করে বাদ দিয়েছেন পরিচালক প্রিয়দর্শন। খবর রটেছে, নিজের দৃশ্যের ওপর কাঁচি চলায় পরিচালকের ওপর চরম ক্ষুব্ধ তাবু। কিন্তু এই বিতর্কের আগুন বেশিদূর বাড়তে দিলেন না প্রিয়দর্শন নিজেই। সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি সাফ জানিয়েছেন, “এই খবর পুরোপুরি ভিত্তিহীন। তাবুর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পেশাদার ও ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি যা যা শুট করেছিলেন, তার প্রায় সবটাই সিনেমায় রাখা হয়েছে।” প্রিয়দর্শন আরও স্পষ্ট করে দেন যে, অক্ষয় কুমার কখনওই পরিচালকের সৃজনশীল কাজে হস্তক্ষেপ করেন না বা কার দৃশ্য থাকবে আর কার কাটা হবে তা নিয়ে মাথা ঘামান না। অর্থাৎ বলিপাড়ার এই ফিসফাস নিছকই জল্পনা।
বয়স নিয়ে ট্রোলিংয়ের কড়া জবাব মালাইকার
বিনোদন জগতে নারীদের বয়স এবং তাঁদের আবেদনময়ী থাকা নিয়ে সমাজের দ্বিচারিতা নিয়ে এবার সপাটে জবাব দিলেন মালাইকা আরোরা। অভিনেত্রীর স্পষ্ট অভিযোগ, পুরুষদের বয়স বাড়লে তাকে ‘ম্যাচুরিটি’ বা পরিপক্কতা হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে দৃশ্যটা সম্পূর্ণ আলাদা। ৪০ বা ৫০ পেরিয়েও একজন নারী যদি স্টাইলিশ এবং আত্মবিশ্বাসী থাকতে চান, তবে সমাজ কেন তাঁকে ট্রোল করবে? মালাইকা মনে করিয়ে দিয়েছেন, বয়স কেবল একটা সংখ্যা মাত্র। পুরুষদের ক্ষেত্রে সমাজ যতটা উদার, নারীদের ক্ষেত্রে ততটাই কঠোর। নিজের জীবনধারা দিয়ে এই সামাজিক বদ্ধমূল ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ জানাতে চান তিনি।
শচীন-কন্যা যেন ‘কবীর সিং’-এর প্রীতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চর্চার কেন্দ্রে শচীন-কন্যা সারা তেন্ডুলকর। সম্প্রতি তাঁর একটি নতুন ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটাগরিকরা চমকে উঠেছেন। সারার স্নিগ্ধ হাসি আর সাধারণ সাজপোশাক দেখে সকলের মনে পড়ে যাচ্ছে ‘কবীর সিং’ সিনেমার কিয়ারা আদভানিকে। ভক্তদের মতে, সারাকে হুবহু কিয়ারার অভিনীত ‘প্রীতি’ চরিত্রটির মতো দেখতে লাগছে। ভিডিওর কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে মন্তব্য—কেউ লিখেছেন, “এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল কিয়ারা আদভানি!” আবার কারোর মতে, কিয়ারার মতো সারার হাসিতেও এক অদ্ভুত সারল্য রয়েছে। অনেকে তো এখনই সারাকে বলিউডে নামার পরামর্শ দিয়ে ফেলেছেন।





