সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অভিনেত্রী এবং মান্ডির সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন। ভূমিধস ও প্রবল বৃষ্টির মাঝে স্থানীয়দের ‘গো-ব্যাক’ স্লোগানের মুখে পড়ে কঙ্গনা বলেন, তার নিজের বাড়ি-রেস্তোরাঁও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “গতকাল আমার রেস্টুরেন্ট মাত্র ৫০ টাকা ব্যবসা করেছে, অথচ মাসে ১৫ লাখ টাকা বেতন দিতে হয়।”
কঙ্গনার এই রেস্তোরাঁটির নাম ‘দ্য মাউন্টেন স্টোরি’। এটি তার ছোটবেলার একটি স্বপ্ন, যা তিনি এ বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে পূরণ করেছেন। মানালির এই অনন্য আড্ডাখানাটি ইতিমধ্যেই পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।
রেস্তোরাঁটির নকশা করেছেন বিখ্যাত ইন্টেরিয়র ডিজাইনার শবনম গুপ্তা। এর স্থাপত্যে হিমাচলের ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক দারুণ মিশেল দেখা যায়। পাথরের দেওয়াল আর কাঠের বিম পাহাড়ি গ্রামের আবহ তৈরি করে, আর বিশাল জানলা দিয়ে বরফে ঢাকা পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
‘দ্য মাউন্টেন স্টোরি’-র মূল আকর্ষণ হলো সেখানকার খাবার। কঙ্গনার ইচ্ছেতে এখানে হিমাচলের ঐতিহ্যবাহী পদগুলো পরিবেশন করা হয়, যেখানে স্থানীয় সবজি, দুগ্ধজাত পণ্য এবং পাহাড়ি মশলার ব্যবহার করা হয়। কঙ্গনা বলেন, “এটি আমার মায়ের রান্নাঘরের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।” তার মতে, এখানে খাবার কেবল স্বাদের জন্য নয়, প্রতিটি পদে লুকিয়ে থাকে পাহাড়ি জীবনের গল্প।
সামাজিক মাধ্যমে এই ক্যাফের ছবি শেয়ার করে কঙ্গনা লিখেছিলেন, “ছোটবেলার একটা স্বপ্ন সত্যি হলো, হিমালয়ের কোলে একটা ছোট্ট ক্যাফে।” ক্যাফেতে ভেতরের বসার জায়গা ছাড়াও খোলা আসনও রয়েছে, যেখান থেকে অতিথিরা বরফে ঢাকা শৃঙ্গ ও উপত্যকার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। বর্তমানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে এই স্বপ্নের রেস্তোরাঁতেও ব্যবসা প্রায় বন্ধ।





