“জ্ঞানু মাস্ট গো!”— এক্স পোস্টে বিস্ফোরক অভিজিৎ, তরুণদের দিলেন নতুন বার্তা

ভোটার তালিকায় SIR (বিশেষ সংশোধন) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধী ‘INDIA’ জোট। আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এক সুবিশাল বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধীরা। আর এই হাই-প্রোফাইল প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরাসরি বিরোধীদের সমর্থন জানানোর ঘোষণা করল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)।

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিরোধীদের সমর্থনের কথা নিশ্চিত করেছেন CJP প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

“জ্ঞানু মাস্ট গো!”— এক্স পোস্টে বিস্ফোরক অভিজিৎ

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)-এ এক পোস্টে অভিজিৎ দীপকে লিখেছেন, ‘জ্ঞানু মাস্ট গো! INDIA জোটের ১ নভেম্বরের র‌্যালিকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি।’ দেশের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষার আহ্বান জানিয়ে পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্র সবার আগে।’

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অভিজিৎ দাবি করেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের যে নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা থাকা প্রয়োজন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তা হারিয়েছেন। সিইসি-র পদত্যাগ ছাড়া কমিশনের নিরপেক্ষতা ফেরানো অসম্ভব। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান SIR প্রক্রিয়ার ফলে লক্ষ লক্ষ যোগ্য নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আমজনতার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার সামিল।

আম্বেদকরের নীতি ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুর:

INDIA জোটকে সমর্থনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. বি আর আম্বেদকরের নীতি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন CJP প্রধান। তিনি জানান, আম্বেদকর প্রতিটি দেশবাসীর সমান রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে আজীবন লড়াই করেছিলেন। সেই অধিকার রক্ষা করা যেকোনো সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নৈতিক দায়িত্ব।

‘বি-টিম’ বিতর্কে বিজেপির তোপ ও জল্পনা:

ককরোচ জনতা পার্টিকে শুরু থেকেই বিরোধীদের ‘বি-টিম’ (B-Team) বলে দাবি করে আসছিল ক্ষমতাসীন বিজেপি। CJP-র এই সাম্প্রতিক সমর্থনের পর পদ্ম শিবিরের দাবি, তাদের অভিযোগ আজ হাতেনাতে প্রমাণিত হলো।

উল্লেখ্য, এর আগে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ককরোচদের একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কংগ্রেস সহ INDIA জোটের শীর্ষ নেতৃত্ব যোগ দিলেও, CJP নেতাদের সঙ্গে এক মঞ্চে দেখা যায়নি তাঁদের। ফলে ১ নভেম্বরের রামলীলা ময়দানে অভিজিৎ দীপকে এবং বিরোধীরা যৌথভাবে মঞ্চ ভাগ করেন কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।