“কংগ্রেস ক’টা সিট পেল যেন?” উপনির্বাচনের ফল বের হতেই হাত শিবিরকে মোদীর চরম ট্রোল! তুলকালাম রাজনীতি

বিধান পরিষদ উপনির্বাচনের ফলাফল ঘিরে দেশীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র কাদা ছোড়াছুড়ি। নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই কংগ্রেসকে লক্ষ্য করে এক হাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফলাফলের পরিসংখ্যান টেনে এবং বিশেষ ইমোজি ব্যবহার করে কংগ্রেসের পারফরম্যান্স নিয়ে তীব্র খোঁচা ও কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই তীব্র আক্রমণকে একেবারেই পাত্তা দিতে নারাজ দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দলটি। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মোদীর এই বক্তব্যকে ‘সস্তা রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদের ৩টি প্রধান বিষয়:
মোদীর আক্রমণ: উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিশেষ ইমোজি পোস্ট করে কংগ্রেস কতগুলি আসন পেল তা নিয়ে প্রকাশ্যে রসিকতা ও খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী।
কংগ্রেসের পাল্টা তোপ: প্রধানমন্ত্রীর এই খোঁচাকে সস্তা রাজনীতির দৃষ্টান্ত বলে আখ্যা দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।
ব্যালট পেপারের দাবি অনড়: ভোটের ফলাফল যাই হোক না কেন, ইভিএমের বদলে ব্যালট পেপারে ভোটের দাবিতে তারা আগের মতোই অটল থাকবে বলে সাফ জানিয়েছে হাত শিবির।
ইমোজি খোঁচা ও পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক তরজা
বিধান পরিষদ উপনির্বাচনের ফল বেরোনোর পরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের, বিশেষ করে কংগ্রেসের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের দিকে ইঙ্গিত করে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা শেয়ার করেন। সেখানে বিশেষ ইমোজি সহকারে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “কংগ্রেস যেন কতগুলি আসন পেয়েছে?” মোদীর এই তীক্ষ্ণ উপহাস মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে নেটপাড়ায়।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক মনোভাবের কড়া জবাব দিয়েছে কংগ্রেস। বিরোধী দলটির স্পষ্ট বক্তব্য— উপনির্বাচনের ফল যা-ই হোক না কেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তারা ব্যালট পেপারের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাবে। ইভিএমের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে তোলা প্রশ্ন থেকে সরে আসার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আগামী সমস্ত বিধানসভা নির্বাচন যাতে ব্যালট পেপারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়, সেই দাবিতে তারা দেশজুড়ে আন্দোলন জোরদার করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনগুলির আগে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী শিবিরের এই বাকযুদ্ধ রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে জাতীয় রাজনীতিতে পারদ আরও চড়িয়ে দিল।