“বাটন হোক বা ব্যালট, রেজাল্ট পুরো জিরো!” ২৮টি আসনেই ধূলিসাৎ কংগ্রেস, প্রহ্লাদ জোশীর কড়া আক্রমণে তোলপাড় রাজনীতি

বিধান পরিষদ নির্বাচনের (MLC Election) ফলপ্রকাশের পরেই বড়সড় ধাক্কা খেল দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র ও বিহার— দেশের এই চার রাজ্যের মোট ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের একটিতেও জয়লাভ করতে পারেনি ‘হাত’ শিবির। আর এই লজ্জাজনক ফলাফলের পরই কংগ্রেসকে একহাত নিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। সরাসরি আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেছেন, ইভিএম বা ব্যালট পেপার যাই হোক না কেন, কংগ্রেসের ভাগ্যে ফলাফল সবসময় শূন্যই থাকে।

সংবাদের ৩টি প্রধান বিষয়:

  • সম্পূর্ণ ধূলিসাৎ: উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র ও বিহারে অনুষ্ঠিত হওয়া মোট ২৮টি বিধান পরিষদ আসনে একটি আসনও জিততে পারেনি কংগ্রেস।

  • ইভিএম বনাম ব্যালট বিতর্ক: নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইভিএম নিয়ে কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’ ও কারচুপির তত্ত্বকে তীব্র আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী।

  • আত্মসমালোচনার পরামর্শ: জনগণের রায় মাথা পেতে না নিয়ে প্রতিবার অজুহাত খোঁজার বদলে কংগ্রেস নেতৃত্বের তীব্র আত্মবিশ্লেষণ করা উচিত বলে তোপ দেগেছেন তিনি।

ইভিএম বিতর্ক ও কর্নাটক প্রসঙ্গ

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী আক্রমণ শানিয়ে বলেন, যে রাজনৈতিক দলগুলি অবিরাম ‘ইভিএম হ্যাকিং’ বা ‘ভোট চুরি’র তত্ত্ব খাড়া করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়, আজ তাদের প্রকৃত জনভিত্তি বেআব্রু হয়ে পড়েছে। মজার বিষয় হলো, যে কর্নাটকে কংগ্রেস নিজে ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানেও তাদের এক বিদায়ী সদস্যের আসন হাতছাড়া হয়েছে।

জোশীর দ্ব্যর্থহীন মন্তব্য, “জনগণ যখন নিজেদের রায় পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করে, তখন কংগ্রেস ইভিএম বা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। কিন্তু কোনো অজুহাতই মানুষের এই রূঢ় সত্য রায়কে আড়াল করতে পারবে না।”

নেতৃত্বের ব্যর্থতা নিয়ে আত্মসমালোচনার তাগিদ

নির্বাচনে বারবার ভরাডুবি হওয়া সত্ত্বেও রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ঘটনার দায় নিজেদের কাঁধে না নিয়ে কেবল বাহ্যিক কারণ খুঁজছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতারা। প্রহ্লাদ জোশী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, বারবার ব্যর্থ হওয়ার পর অজুহাত না দিয়ে কংগ্রেসের উচিত নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গভীরে গিয়ে আত্মসমালোচনা করা। প্রসঙ্গত, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বিশেষ ইমোজি দিয়ে কংগ্রেসের এই শোচনীয় পারফরম্যান্সকে কটাক্ষ করেছিলেন, যা নিয়ে বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে উত্তাপ তুঙ্গে।