ডাল-ভাতেই বাজিমাত! প্যান্ডেল হপিং শেষে ক্লান্ত শরীরে পরম তৃপ্তি দেবে এই পুজো স্পেশাল রেসিপি

বাঙালির শেষপাতের পরম স্বস্তি মানেই এক বাটি গরম ডাল। আর পুজোর আনন্দ মানেই জমিয়ে ঠাকুর দেখা এবং হরেক রকমের খাওয়া-দাওয়া। তবে টানা প্যান্ডেল হপিং আর রোজ রোজ বাইরের তেল-মশলাদার গুরুপাক খাবার খাওয়ার পর ক্লান্ত শরীরে বাড়িতে ফিরে মন চায় হালকা কিন্তু সুস্বাদু কিছু খেতে। রোজকার সাধারণ ডাল-ভাতে অরুচি এলে এই উৎসবের মরশুমে সহজে বানিয়ে ফেলতে পারেন বাঁধাকপি দিয়ে মসুর ডাল। সাধারণ মসুর ডালের সঙ্গে কুচানো বাঁধাকপি আর ঘরোয়া মশলার মেলবন্ধনে তৈরি এই পদটি গরম ভাতের পাশাপাশি রুটি বা পরোটার সঙ্গেও অতুলনীয় লাগে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
এক কাপ মসুর ডাল, দু’কাপ মিহি কুচানো বাঁধাকপি, একটি বড় পেঁয়াজ কুচি, একটি মাঝারি টমেটো, এক টেবিল চামচ রসুন কুচি, এক চা চামচ আদা-রসুন বাটা, তিন-চারটি কাঁচা লঙ্কা, পরিমাণমতো হলুদ, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, সামান্য লঙ্কার গুঁড়ো, সর্ষের তেল, নুন, চিনি, আধ চা চামচ গরম মশলা, কিছুটা ধনেপাতা কুচি এবং ফোড়নের জন্য গোটা জিরে, তেজপাতা ও শুকনো লঙ্কা।
রান্নার সহজ পদ্ধতি:
প্রথমে মসুর ডাল ভালো করে ধুয়ে সামান্য নুন ও হলুদ দিয়ে এমনভাবে সেদ্ধ করুন যাতে গলে না যায়। কড়াইতে তেল গরম করে নুন দিয়ে কুচানো বাঁধাকপি হালকা ভেজে তুলে রাখুন। এবার কড়াইতে আরও একটু তেল দিয়ে গোটা জিরে, তেজপাতা ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। সুন্দর গন্ধ বেরোলে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি বাদামি করে ভেজে নিন। এরপর আদা-রসুন বাটা, টমেটো ও সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে তেল ছাড়া পর্যন্ত ভালো করে কষান।
মশলা থেকে তেল আলাদা হলে সেদ্ধ ডাল ঢেলে দিন। ডাল ফুটলে ভাজা বাঁধাকপি ও চেরা কাঁচা লঙ্কা মেশান। স্বাদমতো নুন-চিনি দিয়ে ঢাকা দিয়ে ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ডাল ঘন হলে উপর থেকে গরম মশলা ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি মুখরোচক বাঁধাকপি-মসুর ডাল।