চল্লিশ পার হওয়ার পর কি রোজ ডিম খাওয়া নিরাপদ? পুষ্টিবিদদের চাঞ্চল্যকর তথ্য জানলে চমকে যাবেন!

চল্লিশের গণ্ডি পেরোনোর পর আমাদের শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক হার অনেকটাই ধীর গতিতে কাজ করতে শুরু করে। এই বয়সে এসে কোলেস্টেরল, রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের মনে নানা ধরনের উদ্বেগ কাজ করে। ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই, তবে বয়স যখন চল্লিশের কোঠা ছুঁয়ে ফেলে, তখন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখা কতটা স্বাস্থ্যকর—তা নিয়ে পুষ্টিবিদদের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরেই আলোচনা চলছে।
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অভ্যন্তরীণ চাহিদাও পরিবর্তিত হয়। ডিমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, কোলিন এবং প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড থাকায় তা পেশি শক্তিশালী রাখতে ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখতে দারুণ ভূমিকা নেয়। তবে ডিমের কুসুম বা ইয়েলো পার্টে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকায় অনেকেই তা এড়িয়ে চলেন। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, যাঁদের শরীরে ইতিমধ্যে কোলেস্টেরল বা হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ডিম খাওয়ার নির্দিষ্ট কিছু পরিমাপ বা নিয়ম মেনে চলা জরুরি। তবে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনকারী একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে একটি গোটা ডিম খেলেও বড় কোনো ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না।